• রাজ্যের বেকারত্ব কমেছে ৪৫.৬৫%, বাজেটের পরে দাবি মমতার
    এই সময় | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • বিরোধীদের অভিযোগ, আসন্ন নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে অন্তর্বর্তী বাজেটে (ভোট অন অ্যাকাউন্টস) একগুচ্ছ ঘোষণা করা হয়েছে। এ বার বিরোধীদের এই দাবি উড়িয়ে দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পাল্টা দাবি করেছেন, নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে তিনি কোনও ঘোষণা করেন না। যে প্রতিশ্রুতি তিনি দেন, তা পূরণ করেন। একই সঙ্গে মমতা বলেন, ‘কেন্দ্রের রিপোর্ট বলছে, রাজ্যের বেকারত্ব ৪৫.৬৫ শতাংশ কমেছে। ১ কোটি ৭২ লক্ষের থেকে বেশি মানুষকে দারিদ্রসীমার বাইরে বার করে এনেছি।’

    এ দিনের বাজেটে সামাজিক প্রকল্পে একগুচ্ছ ঘোষণা করা হয়েছে। ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পে টাকা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে, সিভিক ভলান্টিয়ার, প্যারা টিচারদের সাম্মানিকও বৃদ্ধি করা হয়েছে। ঘোষণা করা হয়েছে নতুন সামাজিক প্রকল্পেরও। এর পরেই বিরোধীরা দাবি করেছিলেন, ‘এই বাজেট ভোটের গিমিক।’ পাল্টা মমতার দাবি, কেন্দ্রের থেকে রাজ্য ২ লক্ষ কোটি টাকা পায়। এখনও সেই অর্থ দেওয়া হয়নি। তাঁর পাল্টা দাবি, ‘বাংলা মানেই হামলা, বাংলা মানেই জুমলা, বাংলা মানেই ভোট কাটার রাজনীতি’। একই সঙ্গে কেন্দ্র বাজেটের সমালোচনা করে তাঁর দাবি, ‘ওই বাজেট পুরোটাই অ্যাকশন, ভিশন, মিশনলেস এবং লাইনচ্যুত বাজেট’।

    ন্যূনতম ১৫ হাজার টাকা মজুরি-সহ একগুচ্ছ দাবিতে রাজ্যে আন্দোলন করছেন আশা কর্মীদের একাংশ। এই বাজেটে আশা কর্মীদের মাসিক ভাতা ১০০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়। পাশাপাশি তাঁদের জন্য ১৮০ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মমতা এ দিন বলেন, ‘আশা, ICDS কর্মীদের মাতৃকালীন ছুটি পাওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। তাঁরা সরাসরি সরকারি কর্মী নন। কেন্দ্র অনেক সময় প্রজেক্ট শুরু করে, শেষ করে না। আমি ক্ষমতায় এসে শুনেছিলাম, কেন্দ্র সরকার ওদের মাসিক ৮০০ টাকা করে দিত। আমি ক্ষমতায় এসে ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা দিতে শুরু করি। ওরা একটা ইনসেনটিভ পায়। সেই অর্থ কেন্দ্র, রাজ্য ৫০ শতাংশ করে দেয়। ওঁরা বাড়তি কাজ করলেও অতিরিক্ত ইনসেনটিভ পায়। আশা কর্মীদের টাকা ১০০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে।’ এই ঘোষণা কি আন্দোলন কিছুটা প্রশমিত করবে? উঠছে প্রশ্ন। সামাজিক সুরক্ষা যোজনা সংক্রান্ত প্রকল্পের নিরিখে সরকার সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে বলে দাবি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের।

  • Link to this news (এই সময়)