• প্যারা টিচার, শিক্ষাবন্ধুদেরও ১ হাজার টাকা মাইনে বাড়ল, কবে থেকে লাগু?
    আজ তক | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে আজ অর্থাত্‍ বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করল রাজ্য সরকার। এবং প্রত্যাশা মতোই, অন্তর্বর্তী বাজেটে একেবারে কল্পতরু হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এটি পূর্ণাঙ্গ বাজেট নয়, ভোট অন অ্যাকাউন্ট, তবুও ভোটের মুখে একের পর এক ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।  

    ভাতা বৃদ্ধির ছড়াছড়ি রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে

    ইতিমধ্যেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে ৫০০ টাকা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে। সিভিক ভলান্টিয়ার, আশা কর্মী, ICDS কর্মী, বেকার যুবকদের জন্য, সব ভাতাই বাড়ানো হল। বেড়ে যাচ্ছে প্যারা টিচার, শিক্ষাবন্ধু ও স্পেশাল এডুকেটর ও ম্যানেজমেন্ট স্টাফদেরও পারিশ্রমিক।  প্যারা টিচার, শিক্ষাবন্ধু, স্পেশাল এডুকেটর ও স্কুল ম্যানেজমেন্ট স্টাফদের মাসিক বেতন ১,০০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এই বেতন বৃদ্ধি ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে কার্যকর হবে। এর পাশাপাশি, আশা কর্মী ও আইসিডিএস কর্মীদের মাসিক টাকাও ১,০০০ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছে, যা কার্যকর হবে ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে। সিভিক ভলান্টিয়ার, ভিলেজ পুলিশ ও গ্রিন পুলিশের মাসিক বেতন ১,০০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে।

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে বড় ঘোষণা

    রাজ্যের অন্যতম ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-এর মাসিক অনুদান ১,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৫০০ টাকা করা হয়েছে। এই অতিরিক্ত ৫০০ টাকা প্রতি মাসে পাওয়া যাবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে। বর্তমানে রাজ্যে ২ কোটি ৪২ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় রয়েছেন।

    বেকার যুবকদের জন্য যুবসাথী প্রকল্প

    বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে নতুন প্রকল্প যুবসাথী। এই প্রকল্পে ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা করে পাবেন। এই সহায়তা সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত দেওয়া হবে, নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে।

    মুখ্যমন্ত্রীর আর্থিক উপদেষ্টা অমিত মিত্রের কথায়,'আমাদের বাজেট বরাদ্দ ২০১১ সাল থেকে ৫ গুণ বেড়ে গিয়েছে। আমার রাজস্ব আয় ৬ গুণ বাড়াতে পেরেছি। কৃষিতে ১৩ গুণ বেড়েছে বৃদ্ধির হার হয়েছে। ফিসক্যাল ডেফিসিট, রেভিনিউ ডেফিসিট আন্ডার কন্ট্রোল। ধার আমরা নিচ্ছি, কিন্তু তাতে অ্যাসেট ক্রিয়েশনও করছি। অ্যা কনভার্ট করে দিচ্ছি। আমরা আড়াই লক্ষ কোটি টাকা সুদ সহ ধার শোধ করেছি। বেকারত্বের হার পশ্চিমবঙ্গে গত ৫ বছরে ৪৫.৬৫ শতাংশের বেশি কমেছে। এটা কেন্দ্রীয় সরকারের ডেটা বলছে।'
  • Link to this news (আজ তক)