অন্যদিকে চিংড়িঘাটায় পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কাজ করার পরিকল্পনা ছিল। মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে এবং ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। এই সময় রাস্তা বন্ধ হলে যানজটে পরীক্ষার্থীদের বড় সমস্যা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে, এখন অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।
মেট্রোর জেনারেল ম্যানেজার শুভ্রাংশু শেখর মিশ্র জানিয়েছেন, ‘চিংড়িঘাটা অংশে কাজ শুরু করতে এখনও পুলিশের কাছ থেকে ইতিবাচক উত্তর পাইনি। উত্তর পেলেই কাজ শুরু হবে। আমরা আশাবাদী যে সময়মতো অরেঞ্জ লাইনের সম্পূর্ণ রুট চালু করা সম্ভব হবে।‘
আর ব্লু লাইনে শুরু হচ্ছে ভেন্টিলেশন সিস্টেম। আগামী চার বছরের মধ্যে ব্লু লাইনের ১৫টি ভূগর্ভস্থ স্টেশনের মাঝের টানেলগুলোতে বসানো হবে অত্যাধুনিক টানেল ভেন্টিলেশন সিস্টেম।
পুরনো সিস্টেম খোলনলচে বদলে দেওয়া হবে। জলনির্ভর সিস্টেমের বদলে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে টানেলে সবসময় পরিস্কার ও ঠান্ডা পৌঁছে যাবে। রেল ও শিনরিও সুবিধা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড যৌথভাবে এই কাজ করছে। মোট খরচ পড়বে ৫৮৫ কোটি টাকা। ৪ বছরের মধ্যে কাজ শেষ করা হবে বলে খবর।
এই সিস্টেম প্রতিটি স্টেশনের দুই প্রান্তে ইনস্টল করা হবে। দু’টি স্টেশন থেকে একযোগে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকবে। ফলে যাত্রীদের আরাম ও নিরাপত্তা দুটোই বাড়বে। তবে কাজ চলাকালীন পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে না। প্রতিদিন রাতে ধাপে ধাপে এই কাজ করা হবে।