জি ২৪ ঘন্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভোটমুখী বাংলায় অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট। বিধানসভায় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, 'আমরা এত বঞ্চনা সত্ত্বেও এই বাজেট করলাম। কেন্দ্র তো বাংলাকে কিছুই দিল না'। তাঁর কথায়, 'এত বঞ্চনা সত্ত্বে যা বাজেট হয়েছে, আমরা মনে হয় বাংলার মানুষের গর্ব করা উচিত'।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন. 'আমরা ২ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাই। আমাদের বঞ্চনা করা হয়েছে। বাংলাকে কিছু দেওয়া হয়নি। পাঁচ বছর ধরে একশোর দিনের কাজে টাকা বন্ধ, যদিও পরপর পাঁচ বছর আমরা একশোর দিনে ভারতের প্রথম হয়েছিল। গ্রামীণ আবাস যোজনাতেও পাঁচ বছর আমরা প্রথম হয়েছিলাম। গ্রামীণ রাস্তা, সেটাও বন্ধ। এমনকী সর্বশিক্ষা মিশনের টাকাও বন্ধ। শিক্ষাক্ষেত্রে এই বাজেটে কেন্দ্রীয় সরকার টাকা কমিয়ে দিয়েছে'।
মুখ্যমন্ত্রীর আরও বক্তব্য, 'আমরা আমাদের সাধ্যমতো আমরা যতটুকু করতে পারি, আমরা ততটুকুই বলি। আমরা কিন্তু এটা নয় ভোট আসছে বলে আমরা কিছু বললাম, সেটা করলাম না। সেটা নয়। আমরা যেটা বলি, সেটা চালু করে দিই সেই সময়ে। প্রত্যেকটা ভোটের আগে আমরা যেটা বলেছি, সাধ্যমতো তার যে মেন কী পয়েন্ট, আমরা করেছি'। বলেন, 'এত দিন রাজ্যে ৯৪টি প্রকল্প ছিল। আজ মনে হয় আরও পাঁচ-ছ’টি নতুন প্রকল্পের ঘোষণা হয়েছে। সুতরাং সেঞ্চুরি হয়ে গেল'।
কেন্দ্রীয় বাজেটকে 'দিশাহীন, ভবিষ্যৎহীন, কর্মহীন' বলে কটাক্ষ করেন মুখ্য়মন্ত্রী। বলেন, 'আমরা এখন গর্ব করে বলতে পারি, আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার মধ্যে এই বাজেট তৈরি করতে পেরেছি। এত কেন্দ্রীয় বঞ্চনা সত্ত্বেও এটা করতে পেরেছি। আশা করি, মানুষ আমাদের উপর ভরসা রাখবে। আমি একা কিছু করিনি। সকলে মিলে করেছি। প্রত্যেক এজেন্সির লাঞ্ছনা সত্ত্বেও আমরা লড়ে যাচ্ছি। মানুষের ভরসা আছে আমাদের সঙ্গে'।
মমতার কথায়, 'ওদের সব শুয়োরানি। আর আমরা সব দুয়োরানি। বাংলা মানেই হামলা, জুমলা। আর বাংলার খালি নাম কাটো। রাজ্যপালের সিকিউরিটি আমাকে ঢুকতে দিচ্ছে না। ওদের নেতাদের পেছনে কত নিরাপত্তা রক্ষী। কত পুলিশের গাড়ি। এরা সীমান্তে পাহারা দিতে পারত। লক্ষ্মীর ভান্ডার কি কম হল নাকি? অন্য রাজ্যের মত সাইকেল, স্কুটার না থাকলে পাবে না আমরা এমন নয়। বিহারে ১০ হাজার দিয়ে পরে বুলডোজার চালিয়েছিল। আমরা ইউনিভারসাল ওরা কনট্রোভারসিয়াল'।