• এসআইআর: ঝাড়গ্রামে সহায়তা কেন্দ্রে জাতি ও ডোমিসাইল শংসাপত্রের রেকর্ড আবেদন
    বর্তমান | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: রাজ্য সরকার এস আইআর পর্বে বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে 'মে আই হেল্প ইউ'ক্যাম্প চালু করেছে। জাতিগত শংসাপত্র,জন্ম- মৃত্যু শংসাপত্র ও ডোমিসাইল নথিপত্র সহজে পাওয়া যাচ্ছে।  ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঝাড়গ্রামে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৬৭ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। প্রত্যন্ত এলাকার ক্যাম্পে সাধারণ মানুষ আবেদনের জন্য ভিড় বাড়ছে।ঝাড়গ্রামের পঞ্চায়েত ও গ্ৰামোন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক সুরজিৎ ভর বলেন, জেলার ৮২টি জায়গায় ‘মে আই হেল্প ইউ’ শিবির করা হয়েছে। বাড়ির কাছে থাকা শিবিরে মানুষ সহজে আবেদন করতে পারছেন।ঝাড়গ্রামে ডিসেম্বরের ১ তারিখ থেকে ৮২ টি মে আই হেল্ল ইউ ক্যাম্প চালু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই ক্যাম্প চালু করা হয়। জেলাশাসক, এসডিও, বিডিও অফিস, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছাড়াও প্রতি গ্ৰামপঞ্চায়েতে ক্যাম্প করা হয়েছে। বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের পরিকাঠামো ব্যবহার করা হয়েছে। বাড়ির কাছেই এখন সমস্ত নথির জন্য নিখরচায় অনলাইন আবেদন করার সুবিধা মিলছে। এস আই আর ফর্ম পূরণ জাতিগত,জন্ম-মৃত্যু ও ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্বাচন কমিশনের ১৩টি নথি জমা দেওয়ার মধ্যে এই তিনটি নথি রয়েছে। অক্টোবরের ২৭ তারিখ থেকে এসআইআর ইনিউমারেশন ফর্ম দেওয়া চালু হয়েছে। তারপর থেকেই জেলায় নথির আবেদনের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। জেলার প্রত্যন্ত ও জঙ্গল এলাকার মানুষ ক্যাম্পে এসে আবেদন জমা করছেন। ডিসেম্বরের ১ তারিখ থেকে এখন পর্যন্ত ঝাড়গ্রামে ১ লক্ষ ৫৭ হাজার ৬১৫ জাতিগত শংসাপত্র,জন্ম- মৃত্যু শংসাপত্র ৩১ হাজার ৩৭৭ ও ৩৫ হাজার ১৭৫ ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন জমা পড়েছে।জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে জাতিগত শংসাপত্রের জন্য ১ লাখ ১১ হাজার ৫১৬ , জন্ম- মৃত্যু শংসাপত্রের জন্য ২৯ হাজার ৯৪৪ও ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের জন্য ২৩ হাজার ৪০২ টি আবেদন জমা পড়েছিল। মেই আই ইল্প ইউ ক্যাম্প শিবির চালু পর সেই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসআইআর পর্ব শুরু হলে  জেলার বড় সংখ্যক তফসিলি জাতি ,উপজাতি ও লোধা শবরদের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র না থাকার চিত্র সামনে আসে। জেলা প্রশাসন এরপরেই বিষয়টি নিয়ে তৎপরতা বাড়ায়। জেলার বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের এক আধিকারিক এদিন বলেন, এসআইআর পর্বে জেলায় আবেদনের সংখ্যা অনেকেই বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রত্যন্ত গ্ৰামীন ও জঙ্গল এলাকার ক্যাম্পগুলোতে সবচেয় বেশি আবেদন জমা পড়েছে। জেলা শহরের পাঁচ মাথা সংলগ্ন  এলাকায় বাংলা সহায়তা কেন্দ্র রয়েছে। সেখানেও সকাল থেকে আবেদনের জন্য  আবেদনের জন্য ভিড় দেখা যাচ্ছে। ঝাড়গ্রাম শহরের রাধানগর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের বুথ লেভেল এজেন্ট অশোক মাহাত বলেন, এসআইআর ফর্ম পূরণের সময় এলাকার অধিকাংশ লোধা শবরদের কাছে জাতিগত ও জন্ম মৃত্যুর শংসাপত্র না পেয়ে সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছিল। এরপরেই শিবির করে আবেদন জমা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। বাড়ির কাছেই ক্যাম্প হ ওয়ায় সুবিধা হয়। যারজেরে আবেদনের সংখ্যা আগের থেকে বেড়ে গিয়েছে।
  • Link to this news (বর্তমান)