চেন্নাই, ৬ ফেব্রুয়ারি: গত কয়েকদিন ধরে চেন্নাইয়ে রাস্তার ধারে শত শত কাকের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছিল। যা নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়েছিল বিভিন্ন মহলে। মৃত কাকের দেহের নমুনা পাঠানো হয়েছিল পরীক্ষার জন্য। রিপোর্ট হাতে আসার পরে চক্ষু চড়কগাছ সরকারি কর্তাদের। কারণ, এইচ৫এন১ অর্থাৎ বার্ড ফ্লু ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে রিপোর্টে। সরকারি আধিকারিকদের আশঙ্কা, গোটা এলাকায় এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। যে কারণে জারি হয়েছে সতর্কতা।নির্দিষ্ট প্রোটোকল মেনে মৃত কাক এবং হাঁস-মুরগির দেহ পুড়িয়ে দেওয়া অথবা গভীর গর্ত করে পুঁতে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। রাস্তাঘাটে মরা পাখি দেখলে তাতে হাত না দেওয়ার জন্য চেন্নাইবাসীকে আবেদন করা হয়েছে।চেন্নাই শহরের আডিয়ার এলাকায় বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় উদ্যানপালন মন্ত্রক। তামিলনাড়ুর মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় সমীক্ষার পাশাপাশি সংক্রমণ রোধে পদক্ষেপ করতে বলেছে তারা।ইচ৫এন১ (বার্ড ফ্লু) ভাইরাস অত্যন্ত ছোঁয়াচে। তা একটি পাখির শরীরে তা প্রবেশ করলে দাবানলের মতো মড়ক ছড়িয়ে পড়ে। পাখি থেকে মানুষের শরীরেও সংক্রমণ ঘটাতে পারে এই ভাইরাস। কীভাবে সংক্রমণ আটকানো সম্ভব? সাম্প্রতিক একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, খামার বা বাজারে মড়ক লাগার ক্ষেত্রে পাখিগুলিকে একসঙ্গে মেরে ফেললে মানব দেহে সংক্রমণের আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়। তবে কোনও ব্যক্তির শরীরে ভাইরাস প্রবেশ করার আগে এই কাজ সম্পন্ন করতে হবে।