রণজয় সিংহ: বিধানসভা ভোটের আগে ক্রমশ বহরে বাড়ছে মিম। বাজেটের পরদিনই তৃণমূলের বড় শক্তিক্ষয়। ওদিকে শক্তিবৃদ্ধি মিমের। মালদায় মিমে যোগদান করল সংখ্যালঘু ৫০০ পরিবার। রিপোর্ট বলছে, জেলার প্রতিটি ব্লকে মিমের শক্তি ক্রমশ বাড়ছে। কখনও তৃণমূল থেকে আবার কখনও কংগ্রেস ও সিপিএম ছেড়ে অনেকেই মিম দলে যোগদান করছেন। বিশেষ করে সংখ্যালঘু মহিলারাও তৃণমূল ছেড়ে মিম পার্টিতে যোগদান করছেন।
মালদার রতুয়া এক নম্বর ব্লকের পরানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মীরজাতপুর মাদ্রাসা পাড়ায় দেখা গেল সংখ্যালঘু মহিলারা তৃণমূল ছেড়ে মিম পার্টিতে যোগদান করলেন। প্রায় চার থেকে ৫০০ পরিবার তৃণমূল ছেড়ে মিমে যোগদান করেন বলে দাবি মিম নেতৃত্বের। মালদার রতুয়া বিধানসভার অন্তর্গত পরানপুর অঞ্চলের মির্জাতপুর মাদ্রাসা পাড়ায় হয় মিমের এই যোগদান সভা। রতুয়া ১ নম্বর ব্লক মিম পার্টির সভাপতি শেখ জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে এই যোগদান সভা হয়। মিম দলের দলীয় পতাকা সংখ্যালঘু মহিলাদের হাতে তুলে দেন রতুয়া ১ নম্বর ব্লকের মিম সভাপতি শেখ জাহাঙ্গীর। উপস্থিত ছিলেন মালদা জেলা মিম পার্টির কার্যকরী সভাপতি মহম্মদ আবু তালেব। বিশেষত এলাকার তৃণমূল সমর্থিত মহিলারা ও তৃণমূল সমর্থক পুরুষরা তৃণমূল ছেড়ে মিমে যোগদান করেন। এই যোগদান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।
মালদা জেলার তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ ঘোষ তোপ দাগেন, মিম পার্টি সব জায়গায় মিথ্যা প্রচার করছে। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই রয়েছেন। ওদিকে দক্ষিণ মালদা বিজেপি সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ কটাক্ষ করেন,সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনেরা বুঝে গিয়েছেন যে ১৫ বছর ধরে এই তৃণমূল সরকার তাদের জন্য কিছু করেনি। তাই আজকে মুসলিম ভাই-বোনেরা ভিন্ন রাজনৈতিক দলে যোগদান করছেন। সংখ্যালঘুরা আর তৃণমূলের পাশে নেই। তৃণমূলও সেটা বুঝে গিয়েছে।