• প্রকাশ্যে আপ নেতাকে গুলি করে খুন পাঞ্জাবে
    বর্তমান | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • চণ্ডীগড়: শুক্রবারের সকাল। জলন্ধরের মডেল টাউন এলাকায় গুরুদ্বারের বাইরে পার্কিংয়ে দাঁড়িয়েছিলেন আপ নেতা লাকি ওবেরয়। এমন সময় উলটো দিক থেকে আসে এক ব্যক্তি। পরনে ব্ল্যাক হুডি, মুখে মাস্ক। হাঁটাচলা দেখে কিছুই বোঝার উপায় নেই। আপ নেতার গাড়ির কাছে এগিয়ে আসার পর হঠাৎ বন্দুক তাক করে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালায় সে। মুহূর্তেই রক্তাক্ত রাস্তা। বুলেটে ঝাঁঝরা হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন আপ নেতা। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। জানা গিয়েছে, ওই দুষ্কৃতীর সঙ্গে আরও একজন ছিল। স্কুটার নিয়ে পিছনে রেডি ছিল দ্বিতীয় জন। গুলি চালানোর পর সেই স্কুটারে করেই চম্পট দেয় দু’জন। ইতিমধ্যে সামনে এসেছে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ। ঠিক কী কারণে লাকিকে হত্যা করা হয়েছে, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শুক্রবার রাত পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। জলন্ধরে আপের অন্দরে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন লাকি। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, এদিন গাড়ির কাছেই দাঁড়িয়েছিলনি তিনি। আচমকা এক দুষ্কৃতী এসে হামলা চালায়। গুলি চালানোর ঘটনায় লাকির গাড়ির জানালার কাচও ভেঙে যায়। যন্ত্রণায় চিৎকার করতে থাকেন আপ নেতা। পরিবারের একাংশের অভিযোগ, রাজনৈতিক কারণেই এই খুন। তবে কে বা কারা এই খুনের পিছনে রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। জলন্ধরের এসিপি পরমিন্দর সিং জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। লাকিকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এনিয়ে পাঞ্জাবের রাজনীতিতে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। প্রকাশ্যে এমন খুনের ঘটনায় সেখানকার আপ সরকারের ব্যর্থতাকে কটাক্ষ করেছে কংগ্রেস। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে হাত শিবির। বিরোধী দলনেতা প্রতাপ সিংহ বাজওয়া বলেন, ‘যদি শাসক দলের নেতারাই সুরক্ষিত না থাকেন, তাহলে আমজনতার কী হবে?’
  • Link to this news (বর্তমান)