এবার হচ্ছে এনপিআর, ফের কাগজ দেখাতে হবে দেশের আম জনতাকে
বর্তমান | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি,নয়াদিল্লি: সেন্সাসের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল গত বছরের জুন মাসে। কিন্তু এনপিআরের উল্লেখ ছিল না। মনে করা হচ্ছিল এনপিআর সম্ভবত হচ্ছে না। যদিও ২০১০ সাল থেকে সেন্সাসের পাশাপাশি পৃথক ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্টার (এনপিআর) প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। এমনকি ২০১৯ সালে যখন সেন্সাসের বিজ্ঞপ্তি ও বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল, সেখানেও এনপিআরের উল্লেখ ছিল। ২০২৬ সালের বাজেটে সেই অনিশ্চয়তা কেটে গিয়েছে। কারণ বাজেটে দেখা যাচ্ছে এনপিআরের উল্লেখ করা হয়েছে। এনপিআর খাতে বাজেট বরাদ্দও হয়েছে। যে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে সেন্সাসে, সেখানে এনপিআরও যুক্ত রয়েছে। আগামী এপ্রিল মাস থেকে শুরু হবে সেন্সাসের প্রথম পর্যায়ের কাজ। বাড়ি গণনা। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর। দ্বিতীয় পর্যায়ের সেন্সাসের কাজ হবে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ। প্রশ্ন হল, এনপিআর যখন হচ্ছেই, সেটি কখন হবে। বাড়িগণনা এবং জনগণনার নির্দিষ্ট সময়সীমা ও সূচি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। কিন্তু যেহেতু নোটিফিকেশনই নেই, তাই এনপিআরের কোনও সূচি নেই। এই অবস্থায় বাজেটে যখন এনপিআরের বরাদ্দ হয়েছে, তার অর্থ এনপিআর হচ্ছেই। আর এনপিআর হওয়ার সঙ্গে কাগজ দেখানোর প্রশ্ন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কারণ এনপিআরে সাধারণত জানতে চাওয়া হয়, এই ঠিকানায় কে কতদিন ধরে আছে। এর আগে কোথায় ছিল ঠিকানা। তার প্রমাণও দেখাতে হয়। ২০১৯ সালে এই প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে নেমেছিল বিরোধীরা। স্লোগান উঠেছিল কাগজ দেখাব না। এবার ইতিমধ্যেই এসআইআর সব কাগজই দেখার রাস্তা করে নিয়েছে। যা নিয়ে রাজ্যে রাজ্যে প্রচুর বিতর্ক। প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি এনপিআর করার সময় আবার কাগজ দেখতে চাওয়া হবে? এখনও সেন্সাস ও এনপিআর সংক্রান্ত প্রশ্নাবলি প্রকাশ করা হয়নি। কিন্তু যদি ফের কাগজ দেখানোর পথে হাঁটতে হয় তাহলে প্রবল বিরোধিতায় পড়তে হতে পারে। সেই কারণে এনপিআর প্রস্তুতি শুরুর আগেই সেন্সাস দপ্তরেই আলোড়ন।