• বিজেপির জেলা অফিসে নেতাদের ভিড় থাকলেও সাধারণ কর্মীদের দেখা নেই
    বর্তমান | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: বিধানসভা ভোটের আগে কোচবিহারে বিজেপির জেলা পার্টি অফিসে জেলা ও রাজ্য নেতাদের ভিড় বাড়লেও উধাও দলের সাধারণ কর্মী সমর্থকদের আনাগোনা। ভোটের মুখে প্রধান বিরোধী দলের রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতারা কোচবিহারে এসে জেলার নির্বাচন নিয়ে রণকৌশল স্থির করতে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছেন। তবে প্রকাশ্যে কিছু না বললেও ভোটের মুখে সেভাবে জেলা পার্টি অফিসে দলের কর্মী সমর্থকদের ভিড় না থাকায় চিন্তা বেড়েছে গেরুয়া শিবিরে নেতাদের। এনিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের কটাক্ষ, যতই ভোট আসবে বিজেপির লোক আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।কারণ দলের অন্দরে প্রার্থী হওয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই কয়েকটি শিবির তৈরি হয়েছে বলে খবর। আর তা নিয়েই দলের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে একটা চাপা ক্ষোভ জমেছে। একএকটি বিধানসভা আসনে একাধিক প্রার্থীর নামের তালিকা রাজ্যে পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, কে কোন আসনে দলের টিকিট পান তা দেখার পর দলের সাধারণ কর্মীরা তাঁদের সিদ্ধান্ত নেবে।যদিও বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, গ্রামেগঞ্জে নিজেদের এলাকায় কর্মীরা দলের কাজ করছেন। সেজন্যই সাধারণ কর্মীদের ভিড় একটু কম হলেও অঞ্চল থেকে শুরু করে মণ্ডল ও শাখা সংগঠনের নেতৃত্বকে নিয়ে নিয়মিত কর্মসূচি চলছে।ভোটের দিনক্ষণ এখনো ঘোষণা না হলেও বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে ভোটের রণনীতি তৈরি করে আগে থেকেই প্রচারে এগিয়ে থাকতে মরিয়া শাসক-বিরোধী সব শিবিরই। তৃণমূলের জেলা চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, ওদের দলে কর্মী কোথায়, সবাই তো নেতা। গ্রামেগঞ্জে গিয়ে দেখুন ওদের ঝান্ডা ধরার লোক নেই। পার্টি অফিসে যতই রাজ্য-কেন্দ্রের নেতারা এসে মিটিং করুক কোনও লাভ নেই। আমাদের অঞ্চলের পার্টি অফিসে যত কর্মী সমর্থক থাকেন, সেই লোক বিজেপির জেলা পার্টি অফিসেই খুঁজে পাবেন না। আসলে বাংলার প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনা এখন সবাই বুঝতে পেরেছে। তাই বিজেপির পাশে মানুষ আর নেই। আগামী ভোটে জেলায় শুধু ঘাসফুল ফুটবে।অন্যদিকে, বিজেপির কোচবিহার জেলার সহ সভাপতি বিরাজ বসু বলেন, কয়েক মাস বাদে রাজ্যে তৃণমূলের সরকার থাকবে না। সেটা বুঝেই তৃণমূলের নেতাদের মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। তাই ওরা উল্টো-পাল্টা বলছে। পার্টি অফিসে প্রতিদিনই ভিড় বাড়ছে। রোজ বিভিন্ন এলাকার নেতা-কর্মীদের নিয়ে বৈঠকে হচ্ছে। গ্রামেগঞ্জে বুথে বুথে আমাদের দলের কর্মীরা নিষ্ঠার সঙ্গে সংগঠনের কাজ করছেন। আর এক-দু’মাস পর তৃণমূলের নেতাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।
  • Link to this news (বর্তমান)