জি ২৪ ঘন্টা ডিজিটাল ব্যুরো: রাতের শহরে বেপরোয়া গতি। লরির পিষে দিল দুই ডাক্তারি পড়ুয়াকে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু। মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটল বেহালার ঠাকুরপুকুরে।
পুলিস সূত্রে খবর, একজনের নাম ফাইয়াজ মল্লিক, আর একজন আনন্দ প্রিয়দর্শী। ২ জনই জোকার ESI হাসপাতালের MBBS পড়ুয়া। গতকালষ শনিবার রাতে বন্ধুদের সঙ্গে বাইকে নিয়ে বেরিয়েছিলেন ফাইয়াজ ও আনন্দ। তখন ফিরছিলেন। ঠাকুরপুকুর থানার পূর্ব পাড়া জেমস সরণীতে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তাঁরা। দুই ডাক্তারি পড়ুয়াকে পিষে দিয়ে চলে যায় লরি।
দিন কয়েক আগেই পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীতলায় ভয়ংকর দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন এক তরুণ চিকিত্সক। মৃতের নাম চয়নদীপ দাস। এড়াসাল রুরাল হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। সেদিন রাতে ডিউটি সেরে বাইকে করে বাড়ি ফিরছিলেন। দীঘা চন্ডিপুর রোডের ১১৬ বি নন্দকুমার জাতীয় সড়কের গড় গ্রামে একটি লরির সঙ্গে তাঁর বাইকের সংঘর্ষ হয়।
লরিটি ধাক্কা মারার পর রাস্তায় ছিটকে পড়েন চয়নদীপ। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে রীতিমতো কাতরাচ্ছিলেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই চিকিত্সককে প্রথমে স্থানীয় চন্ডিপুর বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। কয়েক ঘন্টা চিকিৎসা নেওয়ার পর তাঁকে গ্রিন করিডোরে অ্যাম্বুলেন্সে কলকাতায় পাঠানো হয়। কিন্তু পথেই তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। পরিবার ও স্থানীয়রা দুর্ঘটনাটিকে রহস্যজনক মনে করছেন।
চয়নদীপের আদি বাড়ি মেদিনীপুরে। হাওড়ার আন্দুলে থাকতেন তিনি। সেখানে থেকেই চণ্ডীপুরের হাসপাতালে যাতায়াত করতেন। SSKM হাসপাতালের ২০১৩ সালের ব্যাচের ছিলেন এই তরুণ চিকিৎসক। সম্প্রতি চয়নদীপ নিট-পিজি ক্র্যাক করেছিলেন। এরপর বিসি রায় মেমোরিয়াল হাসপাতালে এমডি পেডিয়াট্রিক্স করার সুযোগ পান। কিন্তু স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল।