• মোষের ধাক্কায় রাস্তার উপরে পড়ল বাইক, কীর্ণাহারে পাথর দিয়ে মেরে খুনের অভিযোগ পৌঢ়কে
    এই সময় | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • বীরভূমের কীর্ণাহার থানা এলাকায় এক ব্যক্তিকে খুনের অভিযোগে চাঞ্চল্য। মৃতের নাম রতন মেটে (৫২)। অভিযোগ, গ্রামেরই চার বাসিন্দা পাথর দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করে খুন করেছে। ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন রতন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। তারাই তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে। কিন্তু সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয়। এর পর রবিবার সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় মৃত্যু হয় রতনের।

    সূত্রের খবর, শুক্রবার দুপুরের দিকে রতন একদল মোষ চড়িয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময়ে রাস্তার ধারে বাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন কার্তিক দাস বৈরাগ্য ও তাঁর সঙ্গীরা। আচমকা একটি মোষের ধাক্কায় বাইকটি রাস্তায় পড়ে যায়। এই নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেই সময়ে কার্তিক দাস বৈরাগ্য, ধনা বাগদি, মমতা ও কবিতা মিলে রতন মেটেকে মারধর শুরু করেন। বিবাদের চরম পর্যায়ে একসময় তারা পাথর দিয়ে রতনের মাথায় সজোরে আঘাত করে বলে অভিযোগ।

    পাথরের আঘাতে রতনের নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বেরোতে শুরু করে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। খবর পেয়ে ছুটে আসেন রতনের পরিবার এবং স্থানীয়রা। রক্তাক্ত অবস্থায় রতনকে প্রথমে স্থানীয় কীর্ণাহার প্রাথমিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে নানুর ও বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়। অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে বর্ধমানের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে দু’দিন লড়াই করার পর রবিবার রাতে মৃত্যু হয় রতনের।

    মৃতের পরিবারের তরফে ইতিমধ্যেই লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে কীর্ণাহার থানায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে অভিযুক্তের খোঁজেও তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনায় যথাযথ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

  • Link to this news (এই সময়)