প্রসেনজিৎ মালাকার: ভয়ংকর কাণ্ড! মহিষের ধাক্কায় বাইক পড়ে যাওয়ায় পাথর দিয়ে থেঁতলে কীর্ণাহারের এক ব্যক্তিকে খুন করার অভিযোগ উঠল গ্রামের ৪ জনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের কীর্ণাহার থানার কীর্ণাহার ১০৫ দাগের দীঘির পাড়ে। মৃতের নাম রতন মেটে (বয়স প্রায় ৫০)।
মহিষের ধাক্কা এবং
মৃতের পরিবারের অভিযোগ, গত শুক্রবার দুপুর প্রায় ৩ টে নাগাদ রতন মেটে তাঁর কয়েকটি মহিষ চরিয়ে মাঠে থেকে বাড়ি আসছিলেন। তখন পাড়ায় রাস্তার ধারে বাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন কার্তিক দাস বৈরাগ্য। মহিষের ধাক্কায় তাঁর বাইকটি পড়ে যায় ও তাঁর গাড়ি থেকে তেল পড়ে যায়। ওই নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। তার পর তা থেকে মারধর। কার্তিক দাস বৈরাগ্য, ধনা বাগদি, মমতা ও কবিতা-- এই চার জন মিলে রতন মেটেকে মারধর করে এবং পাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করে বলে অভিযোগ।
নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত
রতনের নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বেরোতে থাকলে তাঁকে প্রথমে কীর্ণাহার প্রাথমিক হাসপাতালে, পরে নানুর হয়ে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে পরে বর্ধমানের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রতনের মৃত্যু
ঘটনার দুদিন পরে, রবিবার রাত্রি ৯ টায় বর্ধমানের ওই বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় রতন মেটের। ঘটনার পর থেকে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছে মৃতের পরিবার।