• 'সুপ্রিম কোর্টও মুখ্যমন্ত্রীর দাবির গুরুত্ব স্বীকার করেছে', দাবি কুণালের
    আজ তক | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • SIR এর সময়সীমা বাড়িয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। আর তারপরই তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের দাবি, 'মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে প্রশ্নগুলি তুলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্ট একে একে সেগুলিরই গুরুত্ব স্বীকার করেছে।'  

    সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে পশ্চিমবঙ্গের SIR প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক মামলার শুনানি হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে 'গণবঞ্চনা' নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। শুনানিতে আদালত জানায়, SIR প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা তৈরি করতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি নথি যাচাইয়ের জন্য ERO-দের অতিরিক্ত এক সপ্তাহ সময় দেওয়ার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।

    এই রায়ের পর প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, নির্বাচন কমিশনের SIR প্রক্রিয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে সব অভিযোগ ও প্রশ্ন তুলেছিলেন, আদালত সেগুলির সমাধানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। তাঁর কথায়, 'মাইক্রো অবজ়ারভাররা কোনও নাম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছে।'

    কুণালের দাবি, নির্বাচন কমিশনকে বারবার চিঠি লিখেও মুখ্যমন্ত্রী কোনও উত্তর পাননি। কিন্তু আদালতের শুনানিতে সেই প্রশ্নগুলির উত্তর মিলছে। তাঁর মতে, ভোটারদের স্বার্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই লড়াই ভবিষ্যতে রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।

    এ দিন আদালত নির্বাচন কমিশনের একটি হলফনামার কথাও উল্লেখ করে, যেখানে কিছু দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে কমিশনের নোটিস পোড়ানোর অভিযোগ তোলা হয়েছে। এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের ডিজিপিকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও এফআইআর দায়ের হয়নি।

    আদালত জানায়, পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের তালিকা কমিশনের কাছে জমা দিয়েছে, তাঁদের প্রশিক্ষণ দিয়ে SIR প্রক্রিয়ায় কাজে লাগানো যেতে পারে। তবে মাইক্রো অবজ়ারভারদের ভূমিকা কেবল সহায়ক হবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন শুধুমাত্র ERO আধিকারিকরাই। নতুন আধিকারিকরা যুক্ত হওয়ায় নথি যাচাইয়ে বেশি সময় লাগতে পারে বলে আদালত ১৪ ফেব্রুয়ারির নির্ধারিত সময়সীমার পরে আরও এক সপ্তাহ সময় বাড়িয়ে দেয়।

    এ ছাড়া ব্যারাকপুরে অবৈধ প্রোমোটিংয়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে এক বৃদ্ধকে লাথি মারার ঘটনাকে 'লজ্জাজনক ও দুঃখজনক' বলে মন্তব্য করেন কুণাল। তিনি জানান, হাসপাতালে নিয়ে গেলে ওই বৃদ্ধকে মৃত ঘোষণা করা হয়। অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে ইতিমধ্যেই শো-কজ় নোটিস দেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
  • Link to this news (আজ তক)