• অযোধ্যায় বিস্ফোরণের ছক কষার অভিযোগে গ্রেপ্তার, ফরিদাবাদে জেলের মধ্যে খুন আল কায়েদা ঘনিষ্ঠ জঙ্গি
    এই সময় | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • জেলের মধ্যে এক জঙ্গিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল। রবিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদাবাদের নিমকা জেলে। জানা গিয়েছে, মৃত বন্দী আবদুল রহমান (২০)-কে গত বছর মার্চে অযোধ্যায় নাশকতা করার ছক কষার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তার সঙ্গে আবু সুফিয়ান নামে এক আল কায়েদা জঙ্গির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে দাবি পুলিশের। রবিবারের এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত অরুণ চৌধুরী। পুলিশের দাবি, অরুণ কুখ্যাত রোহিত গোদারা গ্যাংয়ের সদস্য।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাত ২টো নাগাদ আবদুলের সঙ্গে বচসা বাধে অরুণের। সেই সময়ে একটি ধারালো অস্ত্র নিয়ে আবদুলের উপরে চড়াও হয় অরুণ। তাকে একাধিক বার কোপ মারা হয় বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে সেখানেই মৃত্যু হয় আবদুলের। এই ঘটনার সময়ে সোয়েব রিয়াজ নামে এক বন্দি উপস্থিত ছিল ঘটনাস্থলে। অভিযোগ, তাকে খুনের ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ রাখার হুমকি দেয় অভিযুক্ত।

    ফরিদাবাদ পুলিশের তরফে যশপাল যাদব জানিয়েছেন, অরুণের বিরুদ্ধে একটি খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর এবং পাঞ্জাবে আটটি খুনের মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৪ সালে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল অরুণকে। পরে তাকে ফরিদাবাদের নিমকা জেলে স্থানান্তরিত করা হয়। কী নিয়ে দু’জনের মধ্যে বচসা হয়েছিল তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    এই ঘটনায় কুখ্যাত রোহিত গোদারা গ্যাং জড়িত থাকতে পারে অনুমান পুলিশের। ঘটনার পরে গ্যাংয়ের এক সদস্যের তরফে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করা হয়। পুলিশের অনুমান, রোহিত গোদারা গ্যাংয়ের মদতেই আবদুলকে খুন করেছে অরুণ। অভিযোগ, পুলিশকর্মীদের ঘুষ দিয়ে জেলের মধ্যে মোবাইলও আমদানি করেছিল অরুণ

    গত বছর মার্চ মাসে অযোধ্যায় রামমন্দির সংলগ্ন এলাকায় নাশকতার ছক কষার অভিযোগে আবদুলকে গ্রেপ্তার করেছিল হরিয়ানার স্পেশাল টাস্ক ফোর্স, গুজরাটের অ্যান্টি টেরোরিজ়ম স্কোয়াড এবং ইনট্যালিজেন্স ব্যুরোর বিশেষ তদন্তকারী দল। ভারতীয় আল কায়েদা হ্যান্ডলার আবু সুফিয়ানের সঙ্গে মিলিত ভাবে এই হামলার ছক কষেছিল আবদুল। গ্রেপ্তারির সময়ে তার কাছ থেকে দুটি হ্যান্ড গ্রেনেডও উদ্ধার করা হয়েছিল। রবিবারের এই ঘটনায় জেলের মধ্যে বন্দিদের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।   

  • Link to this news (এই সময়)