অভিষেক বলেন, ‘আমি এমন এক ভারতের নাগরিক যেখানে বলা হয়, এক ভারত-শ্রেষ্ঠ ভারত। আবার সেখানেই স্রেফ মাতৃভাষাকে সন্দেহের কারণ হিসাবে দেখা হয়। বাংলা বললেই বাংলাদেশি, মাছ খেলেই মোগল। এখানে জয় বাংলা বললে, আমার সোনার বাংলা গাইলে অনুপ্রবেশকারী হিসাবে দেগে দেওয়া হয়।‘
কেন্দ্রের বকেয়া না মেটানোর অভিযোগের পাশাপাশি বাজেটে বাংলাকে বঞ্চিত করারও অভিযোগ তোলেন তিনি। দেশবাসীকে ‘ট্যাক্স ট্র্যাপ’-এ ফেলার অভিযোগও করেছেন অভিষেক। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকেও তাঁর বার্তা, উপযুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে তিনি অভিযোগগুলির পাল্টা জবাব দিতে পারেন নিজের বক্তব্য।
অভিষেক বলেন, ‘শিশুর জন্মের পরে তার ডায়াপারের ট্যাক্স, পড়াশোনা শুরু হওয়ার পরে শিক্ষা, বই, নোটবুক, পেন, পেন্সিল-সবকিছুতে ট্যাক্স, তিনি উপার্জন শুরু করলে এর উপরে ট্যাক্স, টাকা বাঁচালে এর উপরে ট্যাক্স, খরচ করলে তার উপরেও বসানো হয় ট্যাক্স, কাজে গেলে পেট্রল-ডিজেলে ট্যাক্স, অসুস্থ হলে ডাক্তার, ওষুধের উপরে ট্যাক্স, বৃদ্ধ হলে পেনশন, চিকিৎসায় ট্যাক্স, তাঁর মৃত্যুর পরে শোকসভায় ধূপ জ্বালানোর জন্যও পরিবারকে ট্যাক্স দিতে হয়।’
এদিন অনুপ্রবেশ এবং এসআইআর নিয়েও সরব হতে দেখা যায় ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেককে। তিনি বলেন, ‘অনুপ্রবেশ নিয়ে এত কথা। সর্বোচ্চ মন্ত্রক থেকে বলা হয়, আমাদের সীমানা নিরাপদ। অথচ দিল্লির বুকে, পহেলগাম বুকে সশস্ত্র অনুপ্রবেশকারীরা ঢুকলেন কী করে?’ ভারতের অন্দরেই নাগরিকদের অস্তিত্বের প্রমাণ দিতে হচ্ছে বলে জানান তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।