• আগের অভিযুক্তদের দায়িত্ব নয়, এক জেলায় ৩ বছর কর্মরতদের বদলির নির্দেশ কমিশনের
    এই সময় | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • এই সময়: গত বিধানসভা নির্বাচন বা উপনির্বাচনে জেলাশাসক, রিটার্নিং অফিসার, পুলিশ ইনস্পেক্টর পদে কর্মরত আধিকারিকেরা যে জেলায় দায়িত্বে ছিলেন, এ বারের ভোটে আর তাঁদের সেখানে বদলি করা যাবে না বলে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। কেউ কোনও পদে টানা তিন বছর থাকলেও তাঁকে বদলি করতে হবে। মঙ্গলবার কমিশনের তরফে বদলি সংক্রান্ত নির্দেশিকায় অবশ্য কিছু ব্যতিক্রমের কথাও বলা হয়েছে। ভোটমুখী রাজ্যগুলির মুখ্যসচিব এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদেরও নির্দেশিকার প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে।

    নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিক যদি গত চার বছরের মধ্যে তিন বছর কোনও এক জেলায় কর্মরত থাকেন, তবে তাঁকে বদলি করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে তাঁর পদন্নোতি হলেও তা কার্যকাল হিসেবে ধরা হবে। এই তালিকায় ডিইও বা জেলাশাসক, আরও, এআরও, ইআরও, এইআরও, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক, ডেপুটি বা যুগ্ম কালেক্টর এবং বিডিও-রা রয়েছেন। পুলিশের ক্ষেত্রে এডিজি, আইজি, ডিআইজি, এসএসপি, পুলিশ সুপার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে রাখা হয়েছে এই তালিকায়। গত বিধানসভা নির্বাচন বা উপনির্বাচনে জেলাশাসক, রিটার্নিং অফিসার, পুলিশ ইনস্পেক্টর পদে কর্মরত আধিকারিকেরা যে জেলায় দায়িত্বে ছিলেন, এ বার তাঁদের সেখানে বদলি করা যাবে না। তবে সদর দপ্তরে যাঁরা কর্মরত, তাঁদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। এ বছরের মে-জুনের মধ্যে যাঁরা অবসর নেবেন, তাঁদের যেমন বদলি করা যাবে না, তেমনই নির্বাচনের কোনও দায়িত্ব দেওয়া যাবে না।

    কমিশন আরও জানিয়েছে, যে সব সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে আগে নির্বাচন কমিশন কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিল বা শাস্তি হয়েছিল, অথবা যাঁদের বিরুদ্ধে আগের কোনও নির্বাচন বা নির্বাচন-সংক্রান্ত কাজে গাফলতির অভিযোগ উঠেছিল, তাঁদের কাউকেই এ বার নির্বাচনের কাজে লাগানো যাবে না।

    ভোটঘোষণার পর আধিকারিকদের একটি মুচলেকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। মুচলেকায় জানাতে হবে, তাঁদের কোনও নিকটাত্মীয় ভোটে প্রার্থী নন। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ফৌজদারি মামলা নেই। কমিশন জানিয়েছে, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব বদলি সেরে ফেলতে হবে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সরকারকে। ওই দিনই কমিশনকে রিপোর্ট দিতে হবে।

  • Link to this news (এই সময়)