• SIR: জন্মের আগেই ইস্যু করা হয়েছে বার্থ সার্টিফিকেট? নথি যাচাই করতে গিয়ে হতবাক কমিশন
    এই সময় | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • SIR-এর শুনানি চলাকালীন ভোটাররা যে নথি জমা দিয়েছেন, সেগুলি স্ক্রুটিনি করার কাজ চলছে। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যাবতীয় নথি যাচাইয়ের কাজ শেষ করে ফেলতে হবে। বিভিন্ন ভোটাররা যা নথি দিয়েছেন, তা দেখে হতবাক কমিশন। কোথাও জন্মের তারিখ উল্লেখ করা হয়নি, আবার কোথাও যে জন্ম সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে, সেটি রেজিস্ট্রেশন হয়েছে জন্মের আগেই।

    রাজ্যের CEO দপ্তর সূত্রে খবর, বরানগর বিধানসভার এক ভোটার নথি হিসেবে একটি জন্ম সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন। যেখানে দেখা গিয়েছে, জন্ম তারিখ ৬ মার্চ, ১৯৯৩। অথচ, সেই সার্টিফিকেট-এ রেজিস্ট্রেশন ডেট রয়েছে, ৪ মার্চ, ১৯৯৩। অর্থাৎ, জন্মের আগেই সেই সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছে। এ কী করে সম্ভব?

    রাজ্যে SIR শুরু হওয়ার সময় কমিশনের পক্ষ থেকে যে এনিউমারেশন ফর্ম দেওয়া হয়েছিল, সেখানে পরিষ্কার লেখা ছিল যদি কোনও ভুল তথ্য দেওয়া হয়, তা হলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে দেশের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৩১ নম্বর ধারা অনুযায়ী আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে। আর এখানেই নির্বাচন কমিশন পরিষ্কারভাবেই ERO-কে লিখিত ভাবে নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ করার জন্য। কমিশনের স্পষ্ট যুক্তি, কী ভাবে সম্ভব জন্মের আগেই বার্থ সার্টিফিকেট তৈরি করা।

    অন্য দিকে, পূর্ব বর্ধমানের মেমারির ৫৫ নম্বর পার্টে থাকা এক ভোটার ভুল তথ্য দিয়েছেন কমিশনের কাছে। এনিউমারেশন ফর্মে জন্ম তারিখ লেখার জায়গায় xx/xx/1987 লিখেছেন। অর্থাৎ ,এই ক্ষেত্রেও তিনি কমিশনের কাছে তথ্য ভুল দিয়েছেন এবং গোপন করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। কমিশন এখানেও একই পদক্ষেপ করতে অর্থাৎ আইনানুগ পদক্ষেপ করার জন্য ERO-কে লিখিত ভাবে নির্দেশ দিয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের এক উচ্চপদস্থ কর্তা জানিয়েছেন, এমনই বহু ভোটার ভুল তথ্য দিয়েছেন যা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অনেক সময় যাচ্ছে অন্য দিকে নাজেহাল হতে হচ্ছে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত সকলকেই। তবে, কমিশনের কড়া বার্তা, যাঁরা এ ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত বা এই কাজ করেছেন, প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে কমিশন।

  • Link to this news (এই সময়)