• জমি দিলেও চাকরি নেই, ECL কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অনশনে ১৪ পরিবার
    এই সময় | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল খনির জন্য জমি দিলে, জমিদাতাদের পরিবারের সদস্য চাকরি পাবেন। কিন্তু ১০ বছর কেটে গেলেও তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন কোনও চাকরি পাননি। দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের বেশ কিছু পরিবারের অভিযোগ এমনটাই। গোটা ঘটনায় তারা কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে ECL-কে।

    বাসিন্দাদের দাবি, ওই ব্লকের মাধাইপুরে খোলা মুখ খনির জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ হয়েছিল। সেই সময়ে বলা হয়েছিল জমির বদলে পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়া হবে। ইসিএল সেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বলে দাবি বাসিন্দাদের। কিন্তু জমি দেওয়ার পরে দশ বছর কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত অনেকে চাকরি পাননি বলে অভিযোগ। চাকরির দাবিতে গত সোমবার থেকে অনশনে বসেছেন ১৪টি পরিবারের লোকেরা। বুধবার সকালে অনশন চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েন এক প্রৌঢ়া। খাদু মুচি নামে ওই প্রৌঢ়া তাঁর ছেলের চাকরির জন্য অনশনে বসেছিলেন।

    স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, ১০ বছর আগে মাধাইপুরে খোলামুখ খনির জন্য ১৪৪ একর জমি অধিগ্রহণ করার কথা ছিল। পরে ৮৮ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। অভিযোগ, বাকি জমি অধিগ্রহণ না করে কাজ শুরু করে দিয়েছে ইসিএল। সেই হিসেবে মোট ৫৫ জনকে চাকরি দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার মধ্যে ৪১ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৪ জনকে এখনও পর্যন্ত চাকরি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এই ১৪টি পরিবারের লোকেরা সোমবার থেকে অনশন শুরু করেছেন। প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাধাইপুর কোলিয়ারির এজেন্ট অফিসের সামনে বসে থাকছেন তাঁরা। এ দিন অসুস্থ হয়ে পড়ার পরে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়েছে খাদু মুচির। তিনি বলেন, ‘১০ বছর ধরে চাকরির দাবি জানাচ্ছি। শুধু আশ্বাস দিচ্ছে ইসিএল কর্তৃপক্ষ। চাকরি দিচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে অনশনে বসেছি। অসুস্থ হয়ে পড়লেও ইসিএল কর্তৃপক্ষ আমাদের সঙ্গে দেখা পর্যন্ত করেনি।’ এই বিষয়ে ইসিএল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

  • Link to this news (এই সময়)