• সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কি আদৌ মিলবে বকেয়া ডিএ? বিগ আপডেট! রাজ্য এবার...
    ২৪ ঘন্টা | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: সুপ্রিম নির্দেশে কি মিলবে বকেয়া ডিএ? এবার বড় পদক্ষেপে পথে রাজ্য সরকার! সময়সীমা ৩১ মার্চ। রায় পুর্নবিবেচনার আর্জি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে নবান্ন। সূত্রের খবর তেমনই।

    ঘটনাটি ঠিক কী? দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর শেষ হাসি হাসলেন রাজ্য় সরকারী কর্মচারীরাই। স্রেফ বকেয়া ডিএ মেটানোই নয়, রাজ্য সরকারকে এবার কার্যত ডেডলাইম বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, ৩১ মার্চের মধ্যে রাজ্যের সমস্ত সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ মিটিতে দিতে হবে এবং ১৫ মে-র মধ্যে রাজ্য প্রশাসনকে রিপোর্টও জমা দিতে হবে আদালতে।  বাকি বকেয়ার ৭৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার জন্য নতুন কমিটি গঠনের কথা বলেছে সুপ্রিম কোর্ট।  

    এখন সুপ্রিম কোর্টে নির্দেশমতো যদি বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে হয়, তাহলে ১০০০০ কোটির ধাক্কা! সূত্রের খবর, সুপ্রিম কোর্টে রিভিউন পিটিশন  দাখিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য। আইনজীবীদের পরামর্শ নিচ্ছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। যুক্তি নাকি একাধিক! যেমন, ২০০৯–এর ১ এপ্রিল  থেকে ২০১৯–এর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারের প্রত্যেক কর্মচারীর বেতন কাঠামো এক ছিল না। অনেকে একাধিক দফতরে কাজ করেছেন। ফলে তাঁদের বেতন ও DA হিসেবেও  পালটে গিয়েছে। 

    এর আগে, যখন বকেয়া DA-র ২৫ শতাংশ  মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট, তখন আদালতের কাছে ৬ মাস সময় চেয়েছিল রাজ্য। বলা হয়েছিল, বকেয়া ডিএ মেটানোর জন্য যে অর্থের প্রয়োজন, সেই টাকা চলতি অর্থবর্ষের বাজেটে বরাদ্দ নেই। বস্তুত,  ডিএ-টাকা শীর্ষ আদালতেই জমা রাখার অনুমতিও চাওয়া হয়েছিল।  রাজ্যের দাবি ছিল, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ পুর্নবিবেচনার আর্জি জানানো হচ্ছে। সেক্ষেত্রে আদালত যদি রায় পক্ষে গেলে, টাকা আর উদ্ধার করা যাবে না। 

    এদিকে  ডিএ মামলায় যেদিন রায়দান হল সুপ্রিম কোর্টে, সেদিনই বাজেটে সরকার কর্মচারীদের ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির কথাও ঘোষণা করেছে রাজ্য। ১৮ শতাংশ নয়, এপ্রিল মাস থেকে রাজ্য় সরকারি কর্মচারীদের ডিএ বেড়ে হবে ২২ শতাংশ। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্য সরকরী কর্মচারীদের ডিএ-র ব্যবধান এখনও ৩৬ শতাংশ।

    বিধানসভা বাজেট পেশ হওয়ার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'যে কমিটি গড়ার কথা বলা হয়েছে, তাতে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতিরা আছেন। পশ্চিমবঙ্গের কোনও প্রতিনিধি নেই। আমরাও মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছি। তাঁদের মতামত অনুযায়ী কাজ করব'। তাঁর কথায়, ‘আর কোনও রাজ্যে পেনশন দেওয়া হয় না। পশ্চিমবঙ্গে যা পাওয়া যায়, আর কোথাও পাওয়া যায় না। পেনশন বন্ধ করে দিলে আমার অনেক টাকা বেঁচে যেত। কিন্তু যাঁরা পেনশনের উপর নির্ভরশীল, তা হলে তাঁরা কী করবেন'? 

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)