• জমি অধিগ্রহণের টাকা না পেয়ে ক্ষোভ মালদায়, তৈরি হচ্ছে না সার্ভিস রোডও
    এই সময় | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • রাস্তার (Road) জন্য জমি অধিগ্রহণ করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। অধিগ্রহণের টাকা কেন্দ্র মিটিয়েও দিয়েছে বলে দাবি গ্রামবাসীদের। কিন্তু টাকা হাতে না পাওয়ায় ক্ষোভ গ্রামবাসীদের একাংশের। ঘটনা মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের।

    এ নিয়ে জেলাশাসকের দপ্তরে জমি অধিগ্রহণের বকেয়া টাকা মেটানোর দাবিতে স্মারকলিপিও দেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের অভিযোগ, সাতমাস ধরে প্রশাসনের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরেও জমি অধিগ্রহণের টাকা মিলছে না।


    সূত্রের খবর, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ২০২০ সালে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের তুলসীহাট্টা-ভবানীপুরে উড়ালপুল তৈরি হয়। তা ৬০০ মিটার লম্বা। উড়ালপুলের (Flyover) এক পাশের সার্ভিস রোড তৈরি হলেও এখনও ২৫০ মিটার রাস্তার কাজ বাকি রয়েছে। সেই সার্ভিস রোডের জন্য ২২টি পরিবারের কাছে জমি নেওয়া হয়। এর জন্য শতক পিছু জমিদাতাদের সাড়ে ছয় লক্ষ টাকা করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। গ্রামবাদীদের দাবি, তাঁরা জেনেছেন কেন্দ্র সরকার জমি অধিগ্রহণের টাকা রাজ্যকে দিয়ে দিয়েছে। কিন্তু জেলা প্রশাসন তাঁদের বকেয়া টাকা দিচ্ছে না। তাঁদের দাবি, টাকা বরাদ্দ করেছে সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রক।

    গ্রামবাসীদের মধ্যে টাকা বিলির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, দাবি প্রশাসনের। এই বিষয়ে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের তরফে মালদহের এক্সজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার দীগন্ত কুণ্ডু বলেন, 'অধিগৃহীত জমির দখল নিয়ে তা আমাদের দপ্তরে হস্তান্তর হলেই সার্ভিস রোডের কাজ শুরু হবে।'

    গ্রামবাসীরা জানান, সার্ভিস রাস্তা তৈরি না হওয়ায় প্রায়ই পথ দুর্ঘটনা ঘটছে হরিশ্চন্দ্রপুরে। জমি হস্তান্তর না করায় কোনও কাজ হচ্ছে না বলে দাবি হরিশ্চন্দ্রপুরের মহেন্দ্রপুরের বাসিন্দা সামিউল হকের। তিনি বলেন, 'জাতীয় সড়ক জমি নিয়েছে। অথচ এখনও টাকা পাননি। টাকা না পেলে অন্যত্র যেতেও পারছি না।'

  • Link to this news (এই সময়)