তৃণমূলের দাবি, ভোটে জেতার পর থেকে বিধায়ককে এলাকায় খুব একটা দেখা যায় না। অধিকাংশ সময় তিনি আরামবাগ বা কলকাতায় থাকেন বলে অভিযোগ। ফলে সাধারণ মানুষ ন্যূনতম পরিষেবাও পাচ্ছেন না। এই অভিযোগ সামনে রেখে বকুলতলা থেকে গোঘাট থানা পর্যন্ত মিছিল করেন শাসকদলের কর্মীরা। নেতৃত্বে ছিলেন স্থানীয় তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা।
প্রসঙ্গত, ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি ফরওয়ার্ড ব্লকের বিধায়ক ছিলেন। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় আরামবাগ মহকুমা শাসকের দপ্তরে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে হেনস্থার শিকার হন। পরে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী মানস মজুমদারকে পরাজিত করে গোঘাট কেন্দ্র থেকে জয়ী
হন তিনি।
তৃণমূল পরিচালিত কামারপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রাজদীপ দে বলেন, ‘পোস্টার নিয়ে খুঁজেও বিধায়কের দেখা মেলেনি, তাই থানায় ডায়েরি করেছি।’ গোঘাট ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিজয় রায়ের প্রশ্ন, ‘পাঁচ বছরে একবারও কি বিডিও অফিসে এসেছেন?’ যদিও তৃণমূলের অভিযোগ উড়িয়ে বিধায়ক বিশ্বনাথ কারকের দাবি, রাস্তাঘাট সংস্কার, আলো বসানো-সহ একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তৃণমূল এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।