সেচের জলের উপর কর সম্পূর্ণ মকুব করার ভাবনা নবান্নের
দৈনিক স্টেটসম্যান | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সরকারের দাবি, ক্রমবর্ধমান উৎপাদন ব্যয়ের প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা এর ফলে সরাসরি উপকৃত হবেন। চাষাবাদে উৎসাহ বাড়ানো এবং কৃষি উৎপাদনের খরচ কমানোই এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, সমাজমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে ১৫ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিধানসভাভিত্তিক বিশেষ শিবিরের মাধ্যমে জলকর মকুবের প্রস্তাব কার্যকর করা হবে। তবে প্রশাসনের একাংশ স্পষ্ট করেছে, ওই শিবিরগুলি মূলত বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প ও পরিষেবার আবেদন গ্রহণের জন্য আয়োজিত হয়। জলকর প্রত্যাহারের সঙ্গে এসব শিবিরের সরাসরি কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না তা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি।
প্রশাসনিক সূত্রের খবর, বাজেট প্রস্তাবটি বিধানসভায় অনুমোদিত হওয়ার পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাব কার্যকর হবে। নিয়ম অনুযায়ী, নতুন অর্থবছরের সূচনা অর্থাৎ এপ্রিল মাস থেকেই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থ দপ্তরের নির্দেশিকা প্রকাশ পেলেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। জলকর প্রত্যাহারের এই প্রস্তাবকে কৃষকদের স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছে ওয়াকিবহাল মহল। এখন চূড়ান্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষায় রয়েছেন সকলেই।