জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: ভয়ংকর কাণ্ড। সিজার করতে এবার পা ভাঙল সদ্যোজাতের! শেষপর্যন্ত মৃত্যুও হল। চিকিত্সায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের লোকেরা। ফের উত্তাল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল।
জানা গিয়েছে, শোভাবাজারে বাসিন্দা সিমরান কুমারী। অন্তঃস্বত্ত্বা অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল অভিনাশ দত্ত মেটারনিটি হোমে। এরপর ওই গৃহবধূকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় আরজি করে। ঘড়িতে তখন সাড়ে ১১ টা। সোমবার সকালে আরজি কর ভর্তি হন সিমরান। সিজার হয় বুধবার। কিন্তু শিশুটিকে বাঁচানো যায়নি।
কেন? সিজার করতে নাকি বিপত্তি! পরিবারের লোকেদের দাবি, সিজার করার সময়ে শিশুটির বাঁ পা ভেঙে যায়। ফলে জন্মের পর থেকে শ্বাস নিতে পারছিল না সে। শারীরিক অবস্থা এতটাই সংকটজনক ছিল যে, SNCU-তে রাখা হয়েছিল শিশুটিকে। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি। গতকাল বৃহস্পতিবার মৃত্য়ু হয় শিশুটির।
এদিকে আরজি কর আরটি শিশুটি আবার মাতৃগর্ভেই মারা গিয়েছে বলে অভিযোগ। অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রীকে আরজিকর হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন প্রগতি ময়দান থানার বাসিন্দা বিশ্বকর্মা প্রামানিক। এরপর দেখা যায়, শিশুটির মারা গিয়েছে মাতৃগর্ভেই!এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় হাসপাতালে।
এর আগে, এক চিকিত্সকের রহস্যমৃত্যুতে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল আরজি করে। মৃত চিকিৎসকের নাম শুভজিৎ আচার্য। আরজিকর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ হিসাবে কর্মরত ছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের শিশুর কুঞ্জের বাসিন্দা ছিলেন শুভজিত্। হঠাত্ অসুস্থ হয়ে পড়লে, তাঁকে ভর্তি করা হয় বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। প্রাথমিকভাবে অনুমান, ওষুধের অধিক মাত্রার কারণেই শরীরে বিষক্রিয়া তৈরি হয়। আর তার জেরেই মৃত্যু হয়েছে ওই চিকিৎসকের।