অয়ন ঘোষাল: রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR শুনানির কাজ আজ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হচ্ছে। শুনানি পর্বে আপাতত ৬ লক্ষ ২৫ হাজার নাম বাদ পড়ার হিসাব পেয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, এর মধ্যে বেশির ভাগই শুনানিতে অনুপস্থিত ছিলেন। কমিশন মনে করছে শুনানিতে অংশ নেওয়া ভোটারদের তথ্য এবং নথি যাচাইয়ের পরে এই সংখ্যা বাড়বে। এর আগে খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়েছিল প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম।
সিইও দফতর সূত্রে খবর, আজ শনিবার অফিসিয়াল শেষ দিনের আগেই রাজ্যে শুনানির কাজ শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে কমিশনের হিসাব বলছে, ৬ লক্ষ ২৫ হাজার জনের নাম বাদ যাচ্ছে। এই সংখ্যা আরও বাড়বে। কারণ, যাঁরা শুনানিতে হাজির হয়েছিলেন, তাঁদের নথি যাচাই এখনও চলছে। শুনানিতে হাজির হওয়া মোট ভোটারের মধ্যে আর ১০ থেকে ১৩ লক্ষ জনের তথ্য আপলোড হওয়া বাকি রয়েছে। এখনও পর্যন্ত তথ্য যাচাই (ভেরিফায়েড) হয়েছে ১ কোটি ২৩ লক্ষ ভোটারের। ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলবে। সুতরাং, তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা আরও বাড়বে। এমনটাই বলছে কমিশনের সূত্র। যত সংখ্যক নাম বাদ পড়ার হিসাব কমিশন পেয়েছে, তাঁদের বেশির ভাগই শুনানিতে উপস্থিত হননি।
পাশাপাশি শুনানিতে উপস্থিত হওয়া কিছু ভোটারের নথি নিয়ে সন্দিগ্ধ কমিশনের আধিকারিকেরা। তাঁদের নামও বাদের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।
দু’ধরনের ভোটারকে শুনানিতে নথি যাচাইয়ের জন্য ডেকেছিল কমিশন।
১) ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে যাঁরা নিজেদের কোনও যোগ দেখাতে পারেননি (নো ম্যাপিং তালিকা) তাঁদের শুনানিকেন্দ্রে সশরীরে হাজিরা দিয়ে উপযুক্ত নথি দেখাতে হয়েছে।
২) ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে যোগ থাকা সত্ত্বেও নামের ত্রুটি, তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে অনেককে শুনানিতে ডাকা হয়। শুনানিকেন্দ্রে তাঁদের তথ্য যাচাইয়ের জন্য উপস্থিত ছিলেন ইআরও, এইআরও (সহকারী ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার) এবং বুথ স্তরের আধিকারিকেরা (বিএলও)।