অরূপ লাহা: অমানবিক টিকিট পরীক্ষক। টিকিট না কাটায় বর্ধমান স্টেশনে কলেজ ছাত্রীকে টিকিট পরীক্ষকের হেনস্তা। বাড়ি ফিরে চরম পদক্ষেপ তরুণীর। শুক্রবার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গেলো পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার রসুলপুরে। মৃত ছাত্রীর নাম জয়শ্রী সরকার(২০)। বাবার নাম জয়দেব সরকার। বাড়ি রসুলপুর মাঠপাড়ায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রেল কর্তৃপক্ষের অমানবিকতা নিয়ে সরব হয়েছে ছাত্রীর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, জয়শ্রী সরকার বর্ধমান ওমেন্স কলেজের দ্বিতীয় বর্ষ ইতিহাস অনার্সের ছাত্রী। শুক্রবার ছিল কলেজে পরীক্ষা। সকালে জয়শ্রী সরকার পরীক্ষা দেওয়ার জন্য রসুলপুর থেকে ট্রেনে চেপে বর্ধমান স্টেশনে যায়। ট্রেন থেকে নামতেই প্ল্যাটফর্মে টিকিট পরীক্ষককে টিকিট দেখাতে না পারায়, হেনস্তা করে বলে অভিযোগ।
আরও অভিযোগ কলেজের পরীক্ষার কথা জানালেও তাকে বসিয়ে রাখা হয়। পরে তার কাছে জরিমানা বাবদ টাকা নেওয়া হয়। কিন্তু সময় পেরিয়ে যাওয়ায় পরীক্ষা দেওয়া হয়নি তাঁর। শুক্রবার দুপুরে জয়শ্রী যখন বাড়ি ফেরেন, তখন বাড়িতে কেউ ছিল না। তাঁর মা রিঙ্কু সরকার বিএলও (BLO)। এস আই আরের ডিউটিতে বিডিও অফিসে ছিলেন। বাবা বাইরের কাজ থেকে ফিরে এসে দেখেন, ঘরের ভেতর ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছে মেয়ের নিথর দেহ। দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবারের অভিযোগ টিকিট পরীক্ষকের অমানবিক হওয়ায় তাদের মেয়ে এই পথ বেছে নিল। এই বিষয়ে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাজি বলেন, 'আমার জানা নেই। তবে খোঁজ খবর নিয়ে দেখছি।' যদিও পরে জানা যায়, রাত পর্যন্ত থানায় অভিযোগ হয়নি। স্টেশনের সিসি টিভি পরীক্ষা করে দেখা গেছে একজন মহিলা টিটি ছাত্রীকে ১০ মিনিট আটকে রাখে। তারপর জরিমানা দিয়ে চলে যায়। তারপর জয়শ্রী রাজ কলেজে পরীক্ষাও দেয়।
আপনি কি অবসাদগ্রস্ত? বিষণ্ণ? চরম কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার হাত ধরতে তৈরি অনেকেই। কথা বলুন প্লিজ...
iCALL (সোম-শনি, ১০টা থেকে ৮টা) ৯১৫২৯৮৭৮২১
কলকাতা পুলিস হেল্পলাইন (সকাল ১০টা-রাত ১০টা, ৩৬৫ দিন) ৯০৮৮০৩০৩০৩, ০৩৩-৪০৪৪৭৪৩৭
২৪x৭ টোল-ফ্রি মানসিক স্বাস্থ্য পুনর্বাসন হেল্পলাইন-- কিরণ (১৮০০-৫৯৯-০০১৯)