• চাঁচলে উন্নয়নের পাঁচালি নিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে তৃণমূল
    বর্তমান | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, চাঁচল: বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্য সরকারের ১৫ বছরের উন্নয়নকে সামনে রেখে জোরদার প্রচারে নেমেছে শাসকদল তৃণমূল। কোথাও রাস্তা পাকা হয়েছে, কোথাও দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়েছে। ঘরে ঘরে পৌঁছেছে সামাজিক প্রকল্পগুলিও। উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছে। সেই প্রচারের অংশ হিসেবে বণিক মহলেও পৌঁছল উন্নয়নের পাঁচালি। শুক্রবার দুপুরে মালদহ মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের সহকারী সম্পাদক ও চাঁচল মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুদীপ্ত ঘোষের অফিসে যায় তৃণমূল নেতৃত্ব। চাঁচল সদরের থানাপাড়ায় তাঁর হাতে উন্নয়নের পাঁচালি কিট ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঠানো একটি শংসাপত্র তুলে দেন মালদহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন। উপস্থিত ছিলেন মালদহ জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মেহবুব আলম সরকার, চাঁচল ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি জাকির হোসেন, পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ অঙ্কুর পোদ্দার, বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ প্রতিনিধি আন্তা আলি সহ অন্যরা।

    তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, গত ১৫ বছরে রাজ্যে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। গ্রামীণ সড়ক থেকে শুরু করে সামাজিক প্রকল্প, নানা ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছে। সেই উন্নয়নের খতিয়ানই ব্যবসায়ী সংগঠনের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।

    নেতৃত্বের দাবি, মালদহের বণিক মহলের কাছে বরাবরই রাজ্য সরকার পাশে থাকছে। ব্যবসায়িক নিরাপত্তা, পরিকাঠামো উন্নয়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার অগ্রগতিতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলেও দাবি। সুদীপ্ত ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী নিজ উদ্যোগে শংসাপত্র পাঠিয়েছেন। তা গ্রহণ করলাম, খুব ভালো লাগছে। আমাদের ব্যবসায়ীদের কথা মুখ্যমন্ত্রী সবসময় ভাবেন। হরিশ্চন্দ্রপুরের মাখনা শিল্প প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, মাখনা শিল্পকে ঘিরে যদি রাজ্য সরকার বিশেষ উদ্যোগ নেয়, তা হলে কারখানা গড়ে প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। চাঁচল ও সংলগ্ন এলাকায় গত কয়েক বছরে পরিকাঠামোগত একাধিক উন্নয়ন হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। মালদহ জেলাপরিষদের সহকারী সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের সবসময় মনে রাখেন। তাই বণিক মহলের জন্য উন্নয়নের পাঁচালি কিটের সঙ্গে একটি শংসাপত্রও পাঠিয়েছেন। রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নের সুফল ব্যবসায়ী সমাজও পাচ্ছেন। মাখনা শিল্প নিয়েও রাজ্য সরকার ভাবছে।
  • Link to this news (বর্তমান)