অশান্ত সময় কাটিয়ে সদ্য গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়েছে বাংলাদেশে। বিএনপি সেখানে ভোটে জেতার পরে, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার হবে বলে আশা রেখেছে ভারত। একই আশা রাখছেন বর্ধমানের লস্করদিঘির বাসিন্দা আসফাক হোসেনও। তিনি সম্পর্কে মুহাম্মদ ইউনূসের শ্যালক, যাঁর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তিকালীন সরকার চলেছে বাংলাদেশে। শনিবার আসফাক বলেন, “আশা রাখছি, বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে। দুই দেশের সম্পর্কে উন্নতি হবে। প্রতিদিন সে প্রার্থনাই করি।”
ইউনূসের স্ত্রী আফরোজির বাপের বাড়ি লস্করদিঘির পশ্চিমপাড়ায়। নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পরে, ২০০৬ সালের নভেম্বরে বর্ধমানের এই শ্বশুরবাড়িতে এসেছিলেন সস্ত্রীক ইউনূস। তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পরে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন আশা করেছিলেন, শান্তি ফিরবে সে দেশে। তবে তার পরেও বার বারই অশান্তি বেধেছে বাংলাদেশে। এলাকায় বাবু মিঞা নামে পরিচিত আসফাক জানান, তাঁদের সঙ্গে সম্প্রতি যোগাযোগ হয়নি ইউনূসের। তিনি আরও জানান, নিজে খুবই অসুস্থ। বাড়ি থেকেও বিশেষ বেরোন না। পরিবারটির দাবি, সীমান্তের ও-পারে কী হচ্ছে, তার সব খোঁজও তাঁরা রাখেন না।
পড়শি আলমগির আলি মল্লিকের সঙ্গে শনিবার রেশন দোকানে যাওয়ার পথে আসফাক বলেন, “দু’দেশের মধ্যে আবার স্বাভাবিক যাতায়াত হবে, ব্যবসা-বাণিজ্য হবে, এটাই আশা করি।” তাঁর সংযোজন: “উত্তেজনার পরিবেশ আগে যা হয়েছিল, সম্প্রতি বোধ হয় সে পরিবেশ আর ছিল না। তবে আমরা চাই, সবাই যেন ভাল থাকেন। এটাই সব সময় প্রার্থনা করি।”