রাজ্যের কৃষকদের জন্য ‘কৃষক বন্ধু’ প্রকল্প রয়েছে রাজ্য সরকারের। কৃষক বন্ধু (নতুন) প্রকল্পে রাজ্যের কৃষকদের বছরে দুই কিস্তিতে একর প্রতি দশ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান করা হয়। তবে, এ বার রাজ্য বাজেটে খেতমজুরদের সহায়তা করার জন্যেও অর্থ বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। রবি ও খরিফ ফসলের মরশুমে বছরে দু’বার দু’টি কিস্তিতে ২০০০ টাকা করে মোট ৪,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের খেতমজুররা সকলেই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। মূলত, যাঁদের কৃষিজমি নেই এবং সেই কারণে ‘কৃষক বন্ধু’ প্রকল্পের আওতাভুক্ত নন এবং ভাগ-চাষি হিসেবেও নথিভুক্ত নন, তাঁরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
১) আধার কার্ড
২) ভোটার আইডেন্টিটি কার্ড
৩) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ডিটেলস
৪) ব্যাঙ্কের পাসবুকের প্রথম পাতার কপি
৫) আধার ও ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত ফোন নম্বর
৬) আবেদনপত্র সাঁটানোর জন্য একটি ছবি
৭) খেতমজুর সংক্রান্ত স্ব-ঘোষণা পত্র, আধারের তথ্য ব্যবহারের সম্মতি পত্র
১৫ ফেব্রুয়ারি, রবিবার থেকে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভায় সরকারি ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেই ভূমিহীন খেতমজুর প্রকল্পের ফর্ম পাবেন।
ওই ক্যাম্পেই আপনার পূরণ করা আবেদন পত্র ও অন্যান্য নথি সংগ্রহ করা হবে।
ভূমিহীন খেতমজুররা মূলত কৃষি ও তার আনুষাঙ্গিক কাজের উপরে নির্ভরশীল। নিজেদের কৃষি জমি না থাকার কারণে কৃষিজ বিভিন্ন কাজে এঁরা যুক্ত থাকেন। কৃষি মরশুমে দৈনিক মজুরির উপর নির্ভর করেই খেতমজুররা জীবিকা নির্বাহ করেন।
এই প্রকল্পের ফর্ম বর্তমানে বিভিন্ন বিধানসভায় আয়োজিত ক্যাম্পগুলি থেকেই দেওয়া হচ্ছে। অনলাইনে এই ফর্ম পাওয়ার সুবিধা পরবর্তীকালে যুক্ত করা হতে পারে।
অবশ্যই। এই ফর্ম পূরণ করে জমা দেওয়ার পরে একটি অ্যাকনলেজমেন্ট স্লিপ দেওয়া হবে। পরবর্তী রেফারেন্সের সেটি সযন্তে রাখতে হবে।
রবি মরশুমের সময়ে ২ হাজার টাকা এবং খরিফ মরশুমের সময়ে ২০০০ টাকা করে বছরে মোট ৪ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য মিলবে।