চন্দননগরের পর এবার সিঙ্গুর, ফের সোনার দোকানে কেপমারি
বর্তমান | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: চন্দননগরের পরে সিঙ্গুর– ফের হুগলিতে সোনার দোকানে কেপমারি। শুক্রবার সিঙ্গুরের বেড়াবেড়ি গ্রামের এক সোনার দোকানে ক্রেতা সেজে এসে এক কেপমার গয়না নিয়ে পালিয়ে যায়। দ্রুতই বিষয়টি টের পেয়ে যান দোকান মালিক সঞ্জয় পোলেন। তিনি থানাতে অভিযোগও করেছেন। তবে ২৪ ঘণ্টা পরেও কেপমারের হদিশ করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে, এই ঘটনাকে ঘিরে সিঙ্গুরের স্বর্ণব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। ক্রেতা সেজে কেপমারির ঘটনা হুগলি জেলাতে ২০২৫ সাল থেকে লাগাতার চলছে। অনেক ক্ষেত্রেই অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার হলেও কেপমারি বন্ধ হয়নি। এই নিয়েই উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ী মহল।
সিঙ্গুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ওই দোকানের সিসি ক্যামেরা সহ নানা জায়গা থেকে সূত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। দ্রুত অপরাধীদের ধরতে সব রকমের পদক্ষেপ করা হচ্ছে। অন্যদিকে ব্যবসায়ী সঞ্জয় পোলেন বলেন, শুক্রবার একজন মধ্যবয়সি ব্যক্তি আমার দোকানে গয়না কিনতে এসেছিল। তাঁর মাথায় টুপি, চোখে চশমা ছিল। হিন্দি ভাষায় কথা বলছিল। আমি নানা রকম গয়না দেখাই। তার মধ্যেই সে হাতসাফাই করে। আচমকা ওই ব্যক্তি গয়না পছন্দ হচ্ছে না বলে দোকান ছেড়ে চলে যায়। তারপরেই আমার নজরে পড়ে কিছু গয়না নেই। আমি দ্রুত দোকানের বাইরে বেরিয়ে দেখি, সে একটি বাইকের পিছনে বসে চম্পট দিচ্ছে। প্রায় ছ’লক্ষ টাকার গয়না খোয়া গিয়েছে বলে সঞ্জয় দাবি করেছেন। পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, কেপমারির ধরন দেখে মনে হচ্ছে আগে থেকেই যাবতীয় পরিকল্পনা করা ছিল। সেই কারণেই দোকানের বাইরে একটি বাইকও ছিল।
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই চন্দননগরের লক্ষ্মীগঞ্জ বাজারের এক সোনার দোকানে কেপমারির ঘটনা ঘটেছিল। তার আগে চণ্ডীতলা থেকে শ্রীরামপুর, ডানকুনি– এইসব জায়গাতে ধারাবাহিকভাবে ক্রেতা সেজে কেপমারি থেকে ডাকাতি হয়েছে। বারবারই সোনার দোকান লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে।