রবিবার ভোর ৫টায় পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ফাঁকা লোকাল ট্রেনের একটি কমপার্টমেন্টে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। সকালের দিকে স্টেশনে ভিড় কম ছিল। তবে ট্রেনে আগুন লাগার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে স্টেশন চত্বরে। তবে কী কারণে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে এ ভাবে আগুন লাগল? ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইস্টার্ন রেলের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) বিশাল কাপুর।
এ দিন বিকেলে কাটোয়া রেল দুর্ঘটনার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ইস্টার্ন রেলের ডিআরএম বিশাল কাপুর। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনি রেল আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডিআরএম বলেন, ‘রেলকর্মী ও দমকলের তৎপরতায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনা শর্ট সার্কিটের কারণে হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। ট্রেন যখন স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকে, তখন নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ শাট-ডাউন করে দেওয়া হয়। ফলে প্রযুক্তিগত ত্রুটির সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় রয়েছে।’
রবিবার সকালে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে নমুনা সংগ্রহ করে। ডিআরএম আরও জানিয়েছেন, বাইরে থেকে কেউ নাশকতার জন্য এই ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে— এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। পুরো বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
এ দিন ভোরে কাটোয়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ফাঁকা লোকাল ট্রেনের একটি কমপার্টমেন্টে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। দু’নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেনটি দাঁড়িয়ে ছিল। স্টেশনের যাত্রীদের নজর যায় সেই দিকে এবং আতঙ্কে তাঁরা চিৎকার করে ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জিআরপি, আরপিএফ-এর টিম। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের দু’টি ইঞ্জিন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।