জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বিধানসভা ভোটের আগে বিরাট ঘোষণা করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বেড়েছে। বেকার যুবকদের ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণার পাশাপাশি আশাকর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভাতা বাড়িয়েছে রাজ্য সরকার। তবে আমজনতার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বৃদ্ধি। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, বাড়তি অর্থ পেতে গেলে বা বর্তমান অনুদান চালু রাখতে গেলে বেশ কিছু কঠোর নিয়ম মেনে চলতে হবে। নথিপত্রে সামান্য অসঙ্গতি বা ব্যাংঙ্কিং তথ্যে অসংগতির কারণে প্রাপ্য টাকা আটকেও যেতে পারে।
কী হারে নতুন ভাতা
সাধারণ শ্রেণির জন্য ১০০০ টাকার পরিবর্তে দেওয়া হচ্ছে ১৫০০ টাকা।
তপসিলি জাতি ও উপজাতিদের ক্ষেত্রে ১২০০ টাকার পরিবর্তে দেওয়া হচ্ছে ১৭০০ টাকা।
এই ভাতা পাবেন ২৫-৬০ বছর বয়সী মহিলারা।
ব্যাংকের নথিপত্র সংক্রান্ত সতর্কতা
আবেদনকারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হতে হবে একেবারে নিজস্ব। কোনওভাবেই জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট হওয়া যাবে না। কেউ যদি জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট দিয়ে থাকেন তাহলে তার টাকা পেতে সমস্যা হতে পারে।
এমনিতেই নিয়ম রয়েছে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার ও মোবাইল নম্বর লিঙ্ক করতে হবে। সেক্ষেত্রে কোনও সমস্যা থাকলে অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।
সরকারি প্রকল্প। ফলে নিথিপত্র হতে হবে একেবারে ত্রুচিহীন। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ঠিকঠাক হতে হবে। পাশাপাশি অন্যান্য নথিপত্রও হতে হবে ত্রুটিপূর্ণ। নিশ্চিন্ত থাকতে প্যান-আধার সংযোগ করিয়ে রাখাই ভালো। যারা তপসিলি জাতি বা উপজাতির মানুষ তাদের দিতে হবে ডিজিটাল কাস্ট সার্টিফিকেট, স্বাস্ত্যসাথী কার্ড ও আধারের তথ্য। তাই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আবেদন জমা দেওয়ার আগে ঠিকঠাক নথি যাচাই করে নেওয়া হবে। নইলে আবেদন বাতিলও হতে পারে।