• অফলাইনের পর এবার অনলাইনেও চালু হল ‘বাংলার যুবসাথী’ প্রকল্পের আবেদন
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • রাজ্য জুড়ে আয়োজিত ৭৬৯টি শিবিরে মোট ৬ লক্ষ ২৯ হাজার মানুষ উপস্থিত হন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৫ লক্ষ ৬৬ হাজার আবেদন ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের জন্য। পাশাপাশি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য ৩১ হাজার এবং খেতমজুরদের আর্থিক সুবিধা সংক্রান্ত প্রায় সাড়ে ৩৬ হাজার আবেদন জমা পড়েছে।

    সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। প্রথমে পোর্টালে লগইন করে প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করতে হবে। আবশ্যিক নথির মধ্যে রয়েছে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড ও মার্কশিট, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, জাতিগত শংসাপত্র, সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং সাদা কাগজে নিজের স্বাক্ষর করা একটি স্পষ্ট ছবি।

    সমস্ত নথি নির্দিষ্ট ফরম্যাটে আপলোড করার পর আবেদনকারীর মোবাইলে একটি ওটিপি পাঠানো হবে। সেই ওটিপি নির্দিষ্ট স্থানে প্রদান করলেই আবেদন সম্পূর্ণ হবে। সফল আবেদনপত্রের কপি ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করে রাখার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।

    গত ৫ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এই প্রকল্পের ঘোষণা করেন। পরে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ১৫ আগস্টের বদলে ১ এপ্রিল থেকেই প্রকল্প কার্যকর হবে। সেই অনুযায়ী আবেদনপত্র বিলির সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

    ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের আওতায় ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি মাধ্যমিক পাশ বেকার যুবক-যুবতীরা আবেদন করতে পারবেন। কর্মসংস্থান না পাওয়া পর্যন্ত অথবা সর্বাধিক পাঁচ বছর ধরে মাসে ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

     
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)