বাস রিকুইজিশন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইল জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেট
দৈনিক স্টেটসম্যান | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সংগঠনের সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় এক লিখিত বিবৃতিতে জানান, করোনাকালে লকডাউনের সময় বেসরকারি পরিবহন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এখনও অনেক রুটে বাসের সংখ্যা আগের মতো হয়নি। এই পরিস্থিতিতে আলোচনা ছাড়াই বাস তুলে নিলে যাত্রী পরিষেবায় বড়সড় বিঘ্ন ঘটবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংগঠনের দাবি, বিষয়টি জানিয়ে ইতিমধ্যেই পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী এবং দপ্তরের সচিব সৌমিত্র মোহনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাঁদের প্রস্তাব, সংশ্লিষ্ট রুট ও বাসমালিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে বাস নেওয়া হোক, যাতে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি কমে এবং মালিকরাও আর্থিক ক্ষতির মুখে না পড়েন।
এছাড়া নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত বাসের দৈনিক ভাড়া ও অন্যান্য শর্তাবলি নিয়েও স্পষ্ট নির্দেশিকা প্রকাশ হয়নি বলে অভিযোগ। ডিজেলের খরচ বাদে সরকার কত পারিশ্রমিক দেবে, তা নির্দিষ্ট না করেই বাস রিকুইজিশন শুরু হওয়ায় পরিবহণ মহলে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নির্বাচনের স্বার্থে বাস দিতে তাঁদের আপত্তি নেই, তবে পূর্বঘোষিত দাবিগুলিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। এই প্রেক্ষিতে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আবেদন জানিয়েছেন। সংগঠনের তরফে রিকুইজিশন স্লিপের অনুলিপিও সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখন সরকারের তরফে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেদিকেই নজর পরিবহণ মহলের।