অর্ণবাংশু নিয়োগী: মহুয়া প্রশ্নে কড়া হাইকোর্ট। হাইকোর্টের ধমকের মুখে রাজ্যের পুলিস। নিয়ম না মেনে পুলিসের অতি সক্রিয়তা কেন? প্রশ্ন বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর। সাংসদ মহুয়া মৈত্রের এফআইআর নিয়ে প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট। মামলায় অভিযুক্তকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রক্ষাকবচ কলকাতা হাইকোর্টের।
সাংসদ মহুয়া মৈত্র সম্পর্কে কুরুচিকর ছবি ও মন্তব্য পোস্ট ও শেয়ার। সেই ঘটনায় নদিয়ার কোতোয়ালি থানায় মেইলের মাধ্যমে অভিযোগ দায়ের করেন মহুয়া মৈত্র। সেই এফআইআর-এর গ্রহণযোগ্যতা নেই। আজ এমনটাই মন্তব্য কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর। ঋষি কুমার বাগড়ি দিল্লির নয়ডায় বসে সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের চ্যাট সোশ্যাল মিডিয়া এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে সাংসদ মহুয়া মৈত্র দিল্লি থেকে নদিয়ার কোতোয়ালি থানায় এফআইআর দায়ের করেন।
মহুয়ার এফআইআরের পরই গ্রেফতারি এড়াতে ঋষি কুমার বাগড়ি কলকাতা হাইকোর্টে এফআইআর খারিজের আবেদন জানান। উল্লেখ্য, নিয়ম অনুযায়ী, ইলেকট্রনিকস অভিযোগ দায়েরর ক্ষেত্রে ঘটনার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযোগকারীকে থানায় গিয়ে সশরীরে এফআইআরে স্বাক্ষর করে অভিযোগ দায়ের করতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে সেটা নেই বলে দাবি ঋষি কুমার বাগড়ির আইনজীবীর।
আবেদনকারীর আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, এ ক্ষেত্রে অভিযোগকারীর এফআইআরে কোনও স্বাক্ষর নেই। মেইলের মাধ্যমে অভিযোগ জানানো হয়েছে। শুধু তাই নয় অভিযোগ দায়েরের সঙ্গে সঙ্গে কোতোয়ালি থানার পুলিস নয়ডায় অভিযুক্তের বাড়িতে হানা দেয় যা সম্পূর্ণ আইন বহির্ভূত। এরপরই বিচারপতির প্রশ্নের মুখে পড়েন রাজ্যের আইনজীবী। তিনি আদালতের কাছে সময় চেয়ে নেন। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানি।