আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোটের মুখে সিপিআইএম ছাড়লেন প্রতীক উর রহমান। সোমবার সকালে দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন এই তরুণ নেতা। প্রতীক উর রাজ্য কমিটির সদস্য ছিলেন।
কেন এই ইস্তফা?
ইস্তফাপত্রে প্রতীক উর রহমান লিখেছেন, দলের সঙ্গে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্তে তিনি সহমত নন। তাই তাঁর এই সিদ্ধান্ত।
ইস্তফাপত্রে লেখা আছে, 'আমি প্রতীক উর রহমান। পার্টির সর্বক্ষণের কর্মী। সাম্প্রতিক সময়ে পার্টির জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের বেশ কিছু ভাবনা ও কর্মপদ্ধতির সাথে আমি নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারছি না, মানসিক দ্বন্দ্বের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। এই অবস্থায় আমি পার্টি ও রাজ্য কমিটির দায়িত্ব তৎসহ পার্টির প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে অব্য়াহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার এই সিদ্ধান্ত সকলকে অবগত করলাম।'
আলিমুদ্দিনের এই তরুণ মুখ একুশের বিধানসভা নির্বাচন এবং চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েছিলেন। তবে তাঁর জয় অধরাই থেকে গিয়েছে। কিন্তু, জিততে না পারলেও লড়াকু মনোভাবের জন্য তিনি জনপ্রিয়তা লাভ করেন।
সম্প্রতি, সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, তৃণমূল ত্যাগী হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ বানানো নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। আলিমুদ্দিনের অন্দরেও এই নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে বলে খবর। এই আবহে প্রতীক উর রহমানের সিপিআইএম ত্যাগ বেশ তাৎপর্যবাহী।
তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া
প্রতীক উর রহমানের ইস্তফা নিয়ে কটুক্তি করেছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। সমাজ মাধ্যম এক্স-এ তিনি লিখেছেন, 'সিপিএমের বায়োলজিকাল ফেরেব্বাজ নেতৃত্বের অংশ ও ফেসবুকের সভ্যতাহীন ফুটেজ বিপ্লবীদের দাপটে সিপিএমেরই প্রথম সারির যুবনেতাদের অবস্থা ও সিদ্ধান্ত এরকম। SFI শীর্ষনেতা, জেলার নেতা, রাজ্য কমিটির কিছু দায়িত্বে থাকা ও গত লোকসভায় ডায়মন্ডহারবারে সিপিএম প্রার্থী প্রতীক উর। সিপিএমকে সর্বস্তরে 0-তে নামানো সম্পাদক ও তাঁর মদতপ্রাপ্ত অযোগ্য বাতেলাবাজগণের কাঠিবাজিতে নাকি এই সিদ্ধান্ত। চিঠির সত্যতা যাচাই করতে পারিনি। ভুল হলে ডিলিট করে দেব।'