আজকাল ওয়েবডেস্ক: পার্টির জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের বেশ কিছু ভাবনা ও কর্মপদ্ধতির সঙ্গে নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারছিলেন না। মানসিক দ্বন্দ্বের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন। তার জেরেই পার্টি ও রাজ্য কমিটির দায়িত্ব তৎসহ পার্টির প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন প্রতীক উর রহমান। প্রতীক উর রহমানের ইস্তফার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে জোর চর্চা। কেন ইস্তফা দিলেন? দীর্ঘ দিন দলের সঙ্গে যুক্ত থাকার পর, প্রতীক উর দলের সঙ্গে কেন মানিয়ে নিতে পারছিলেন না? দলের কোন সিদ্ধান্তে সমস্যা। তাহলে কি হুমায়ুনের সঙ্গে দলের জোট-ভাবনা থেকেই সূত্রপাত দূরত্বের। প্রশ্ন অনেক। অন্যদিকে জল্পনা, প্রতীক উরের অন্য দলে যোগ দেওয়া নিয়েও। কেউ বলছেন তৃণমূলে যোগ দেবেন তিনি। কেউ বলছেন প্রতীক উর যাচ্ছেন আইএসএফ-এ।
যদিও তিনি নিজে কিছুতেই এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ। জানিয়েছেন, যা আলোচনা, হবে দলের ভিতরে। একই সুর সিপিএম-এর রাজ্য সম্পাদকের গলায়। এদিন রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে প্রতীক উরের দলত্যাগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি জানান, 'এটা পার্টির আভ্যন্তরীণ ব্যাপার এবং সাংগঠনিক ব্যাপার। সাংগঠক ব্যাপার সোশ্যাল মিডিয়ায়, মিডিয়ায় হয় না। সংগঠনের কমিটি মিটিংয়ে হয়।' একই সঙ্গে সেলিম বলেন, 'আমাদের পরশু এবং তার পরের দিন রাজ্য কমিটির বৈঠক আছে। সেখানে আলোচনা হবে।'
ভোটের মুখে জোট নিয়েও প্রশ্ন করা হয় সেলিমকে। তিনি বলেন, 'সবাই মিলে জোটবদ্ধ হয়ে লড়াইয়ে নামার চেষ্টা হচ্ছে। বিজেপি-তৃণমূল বিরোধী শক্তিগুলিকে এককাট্টা করছি।' তার আগে বামফ্রন্টের সমস্ত শক্তিগুলিকে একজোট করার কাজ হয়েছে বলেও জানান মহম্মদ সেলিম। ১৮ তারিখের মধ্যে ফ্রন্টের শরিক দলগুলি আসন সমঝোতা করে ফেলবে বলেও দাবি করেছেন হুমায়ুন।