• বাংলাদেশি বন্দির মৃত্যু
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • সংশোধনাগার সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ৩ তারিখ মুখে গুরুতর ঘা হওয়ায় তাঁকে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সাত দিন চিকিৎসার পর ১০ তারিখ হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয়। জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবংশী জানিয়েছেন, ১১ তারিখ ময়নাতদন্তের পর থেকে মৃতদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা রয়েছে।

    শনিবার বিকেলে খায়রুলের মৃত্যুসংবাদ তাঁর পরিবারের কাছে পৌঁছায়। এরপরই তাঁরা দেহ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেন। সূত্রের খবর, রবিবার ঢাকায় ডেপুটি কমিশনারের দপ্তরে দেহ প্রত্যর্পণের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। সেই আবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ শুরু করেছে।

    পরিবারের দাবি, ভারতে তাঁদের কোনও আত্মীয় বা পরিচিত নেই। খায়রুল কেন ভারতে গিয়েছিলেন, সে বিষয়েও তাঁরা স্পষ্ট জানেন না। খায়রুলের মা খালেদা বেগম জানিয়েছেন, ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য তিনি দুই দেশের সরকারের কাছেই আবেদন জানাবেন। এখন দুই দেশের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরেই দেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)