• ভোট ঘোষণার আগে নতুন প্রকল্পের কাজ শুরুর নির্দেশ নবান্নের
    এই সময় | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • এই সময়: সামনেই ভোট। ফেব্রুয়ারি শেষ হলেই বাজতে পারে ভোটের দামামা। তার পরে আদর্শ আচরণবিধি চালু হলে নতুন কোনও প্রকল্পের ঘোষণা বা প্রকল্প শুরু করতে পারবে না রাজ্য সরকার। এ দিকে টানা বর্ষা তার পরে ‘সার’ প্রক্রিয়ায় উন্নয়নের কাজে প্রভাব পড়েছে। অন্য বছর শীত পড়লেই বকেয়া ও নতুন কাজ শুরু হয়ে যায়। এই বছর সময় কম। এই অবস্থায় বকেয়া কাজ শেষ করেতে চাইছে রাজ্য। নতুন যে প্রকল্পের পরিকল্পনা করা হয়েছে, ভোট ঘোষণার আগে সেগুলি যাতে শুরু করে দেওয়া হয়, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলাশাসকদের।

    রাজ্য সরকার পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় জোর দিয়েছে ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ের উপরে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, রাজ্য জুড়ে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নতুন রাস্তা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর জন্য বরাদ্দ হয়েছে প্রায় ৮৪৮৭ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের আওতায় ১৫ হাজার কিলোমিটার রাস্তা হবে গ্রামীণ এলাকায়। এর খরচ ধরা হয়েছে ৬,৯৮৭ কোটি টাকা। ৫০১৯ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হবে কলকাতা ও শহরতলি এলাকায়, কেএমডিএ-র অধীনে। নবান্ন চাইছে, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই সব প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া সেরে কাজ শুরু করে দিতে।

    কেন্দ্রীয় বরাদ্দ না মেলায় রাজ্য সরকার নিজস্ব তহবিলেই ‘বাংলা আবাস যোজনা’ (বাংলার বাড়ি) চালাচ্ছে। বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে, ২০২৬-এর ভোটের আগেই অন্তত ১৬ লক্ষ উপভোক্তার হাতে বাড়ি তৈরির টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে। পাশাপাশি কেন্দ্র ১০০ দিনের কাজের টাকা আটকে রাখায় রাজ্য সরকার চালু করেছে ‘মহাত্মাশ্রী’ (আগের কর্মশ্রী) প্রকল্প। এর মাধ্যমে রাজ্যের জব কার্ড হোল্ডারদের কাজের নিশ্চয়তা দেওয়ার পাশাপাশি সর্বোচ্চ শ্রমদিবস তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ভোট ঘোষণার পরেও এই প্রকল্পগুলিতে যাতে মসৃণ ভাবে চলে তা নিশ্চিত করার কথা জানানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের।

    সম্প্রতি রাজ্য সরকার এলাকাভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ কর্মসূচি চালু করেছে। এই কর্মসূচিতে এলাকার মানুষের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন পাড়ায় উন্নয়নমূলক কাজ হওয়ার কথা। সেই কাজগুলি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। ওই কাজগুলি যাতে শুরু করে দেওয়া যায়, তা দেখার জন্য নির্দেশ গিয়েছে নিচুতলার আধিকারিকদের কাছে।

  • Link to this news (এই সময়)