• পুরসভার স্থাবর সম্পত্তির তালিকায় ভুল, অভিযোগ তৃণমূল প্রতিনিধির
    এই সময় | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • এই সময়: কলকাতা পুরসভার স্থাবর সম্পত্তির তালিকায় অনেক ভুল রয়েছে। আর তার জেরে এমপি, এমএলএ কোটায় কাজ শুরু করতে বিলম্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে অবিলম্বে স্থাবর সম্পত্তির তালিকা নির্ভুল করার দাবি জানালেন ১৩ নম্বর বরোর চেয়ারপার্সন তথা ১১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তৃণমূলের রত্না শূর। সোমবার কলকাতা পুরসভার মাসিক অধিবেশনে রত্না বলেন, ‘এমপি, এমএলএ কোটার টাকায় কোনও কাজের প্রস্তাব এলে কাউন্সিলারদের প্রথমেই জানাতে হয়, যে জায়গায় কাজ হবে তা পুরসভার স্থাবর সম্পত্তির তালিকার অন্তর্ভুক্ত কি না। অনেক সময়েই দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির ঠিকানা, পরিমাণ সংক্রান্ত তথ্য পুর–তালিকায় ঠিকঠাক নেই। সেই ভুল শুধরে নিয়ে এমপি, এমএলএ কোটার টাকায় প্রকল্পের কাজ শুরু করতে অনেক দেরি হয়ে যায়।’ তিনি জানান, এই কারণে বেহালা পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়ের একটি প্রকল্পের কাজ ১৩ নম্বর বরো এলাকায় আটকে আছে।

    রত্ন শূর জানান, কলকাতা পুরসভার বাজেটের বইয়ের একাংশে পুরসভার স্থাবর সম্পত্তির তালিকা ছাপার রেওয়াজ দীর্ঘ দিনের। তবে সেই জায়গায় চিফ ভ্যালুয়ার সার্ভেয়ার বিধিসম্মত সতর্কতার সঙ্গে উল্লেখ করে দেন, ‘উল্লিখিত স্থাবর সম্পত্তির তালিকায় ভুল থাকতে পারে’। তাঁর বক্তব্য, ‘এই সতর্কতা বিভ্রান্তিকর। ভুলের জন্যে প্রকল্পের কাজ আটকে থাকে। তাই নির্ভুল পুর–স্থাবর সম্পত্তির তালিকা খুব জরুরি।’

    এ দিনের পুর–অধিবেশনে পুরসভার আর এক প্রবীণ কাউন্সিলার ৯৫ নম্বর ওয়ার্ডের তপন দাশগুপ্ত প্রস্তাব দেন, প্রাক্তন কাউন্সিলারদের জন্যে সাম্মানিক ভাতা চালু করুক পুরসভা। তাঁর যুক্তি, বছরের পর বছর বিনা পারিশ্রমিকে পুর–পরিষেবা দিয়ে গেলেও এক জন কাউন্সিলার প্রাক্তন হয়ে যাওয়ার পরে আর কোনও সাহায্য পান না। পুরসভার ৯৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তৃণমূলের অরূপ চক্রবর্তী বলেন,‘ ভারতের যে সব শহরে বিজেপি পরিচালিত পুরবোর্ড রয়েছে, সেই সব পুরসভায় কলকাতা পুরসভার থেকে অনেক বেশি টাকার ঘাটতি বাজেট পাশ করা হয়। অথচ তারা কলকাতা পুরসভার তুলনায় শহরের নাগরিকদের অনেক কম পরিষেবা দিয়ে থাকে।’ অরূপের এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন বিজেপির কাউন্সিলাররা।

  • Link to this news (এই সময়)