অয়ন ঘোষাল: অনুপ্রবেশ ইস্যু থেকে শুরু করে রাজ্যের বেকারত্ব এবং প্রস্তাবিত ‘রথযাত্রা’—একাধিক বিষয়ে রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তিনি দাবি করেন, রাজ্যে উন্নয়নের চাকা স্তব্ধ করে তৃণমূল সরকার কেবল ‘ভাতা’র রাজনীতি করছে।
১) হুমায়ুন কবিরের জোট ভাগ্য
গতবার ISF-কে নিয়ে ঠিক এই একই ধরনের চর্চা হয়েছিল। কোন দল কী জোট করবে আর সঙ্গে লড়বে সেটা বিজেপি কীভাবে বলবে? উনি (হুমায়ুন কবির) সব পার্টি একবার করে করেছেন। তার এখন মনে হয়েছে আলাদা করে লড়া উচিত। যারা ওঁর সঙ্গে যেতে চায় তারা যাবে। এর সঙ্গে বিজেপিকে জড়ানোর কী আছে? আমি জানিনা উনি কী ভেবে পার্টি তৈরি করেছেন। নিজের জোরে লড়বেন নাকি জোট করে লড়বেন। এখনও সময় আছে। দেখে যাক।
২) SIR-এ এখনও পর্যন্ত ৬৫ লক্ষ নাম বাদ। বিজেপি বা অমিত শাহ বলেছিলেন দেড় কোটি অনুপ্রবেশকারীকে ধরে ধরে বাদ দেব
রাজ্যে অনুপ্রবেশকারী আছে প্রায় ২ কোটি। দেশের অন্যান্য রাজ্যে আছে আরও ৫০ লাখ। এদের সবার নাম ভোটার তালিকায় ছিল এমনটা নয়। অনেকে নাম তোলার চেষ্টা করেছিল। পারেনি। এক বাপের ১০০ ছেলে বিশ্বে কোথাও দেখা যায়নি। স্বয়ং ধৃতরাষ্ট্রের এত ছেলে ছিল না। এগুলো সব বাদ যাবে। চূড়ান্ত ভোটার লিস্ট বেরোক। সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।
৩) যুব সাথী ক্যাম্পে ছেলের বেকার ভাতা তুলতে দাঁড়িয়ে আছেন বাবা।
এটা দুঃখজনক দৃশ্য। এটাই বাংলাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপহার। তারপরেও বেকার ভাতা দিয়ে ভোট চাইছেন। বাবার ওষুধের লাইনে ছেলে দাঁড়ায়। এখন ছেলের বেকার ভাতার লাইনে বাবাকে দাঁড়াতে হচ্ছে। আমরা যুব আড্ডা করেছি। আড্ডা আর ভাতা দুটো আলাদা জিনিস। আমরা যুব সমাজকে ডাকছি তাদের সমস্যা শোনার জন্য। সেটাকে বিজেপি সফল করার চেষ্টা করবে ক্ষমতায় আসার পর। যুবদের দায়িত্ব বাংলায় পরিবর্তন আনা। এখনও পর্যন্ত যুব সাথী ১৫ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। এটা কিছুই না। একটা চাকরিতে ১৫ লক্ষ দরখাস্ত জমা পড়ে। এই সংখ্যাটা কয়েক গুণ হবে। কোটি পেরিয়ে যাবে। হয়তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানতে চাইছেন এখনও কত বেকার এই রাজ্যে থেকে গিয়েছে।
৪) চিংড়িঘাটা নিয়ে রেল রাজ্য সংঘাত
কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্য কোনও সহযোগিতা করেনা। মেট্রো সংযোগ হচ্ছে না। পড়ে আছে। হাওড়া শিয়ালদহ মেট্রো জুড়ে যেতে মানুষের কত সুবিধা হচ্ছে। উনি করতে দেবেন না। কোর্টে চলে যাচ্ছেন। আসলে সিঙ্গুরে টাটাকে আটকে উনি ক্ষমতায় এসেছেন। উনি ভাবছেন মেট্রো আটকে দিয়ে ভোটে জিতব।
৫) বাংলায় ফের বিজেপির রথযাত্রা
রথ যাত্রা শুধু হিন্দুত্ব নয় একটা জন সম্পর্কের মাধ্যম। রথের একটা গরিমা আছে। মানুষ যুক্ত হয়। এটা রথযাত্রা নয়। এটা পরিবর্তন যাত্রা।
৬) মায়াপুর ইস্কন মন্দিরে আসছেন অমিত শাহ
ওটা বিশ্ববিখ্যাত মন্দির। ওরা চাইছে ওখানে অমিত শাহ যান। বিজেপি হিন্দুত্ববাদ বলতে লজ্জা পায়না। ভারত হিন্দুত্ববাদের দেশ। আমি যাবো না। আমার যাওয়ার কথা নেই।
৬) তৃণমূল ভবনে প্রার্থী চেয়ে ড্রপ বক্স
ওরা আগে থেকে ঠিক করে রাখে। পরে একটা আই ওয়াশ করছে। যেহেতু বিজেপি এটা করে তাই ওরাও দেখাচ্ছে।