আজকাল ওয়েবডেস্ক: ৩ মার্চ দোল। ৪ মার্চ হোলি। খুব স্বাভাবিকভাবেই সৈকত নগরী দিঘায় পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়বে। আর সেই কথা ভেবেই দক্ষিণ–পূর্ব রেলওয়ে স্পেশাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রসঙ্গত, গত বছর থেকে দিঘার সৈকতে দোল উৎসবের আয়োজন করে আসছে পূর্ব মেদিনীপুর প্রেস ক্লাব। এবারও ওল্ড দিঘায় দোল উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এই দোল উৎসবে পর্যটকরাও অংশগ্রহণ করতে পারেন। সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত দোল উৎসবের আয়োজন করা হয়।
এসবের কথা মাথায় রেখেই টানা ৯০ দিনের জন্য বাড়ানো হয়েছে দিঘা–পাঁশকুড়া স্পেশাল ট্রেনের সময়সীমা। রেলের এই সিদ্ধান্তে খুশি যাত্রীরা। চলতি বছরের ১৬ মে পর্যন্ত চলবে বিশেষ ট্রেনটি। দিঘার জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের সময় যাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবে এই ট্রেনটি চালু হয়েছিল। ট্রেন চালু হওয়ায় পর্যটকদের যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ট্রেনের যাত্রী সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। সেই কারণেই সময়সীমা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, সামনেই রঙের উৎসব। মাধ্যমিক শেষ হয়েছে। উচ্চমাধ্যমিকও কয়েকদিনের মধ্যে শেষ হবে। পরীক্ষার পর পর্যটকদের ঢল নামবে দিঘায়। সবদিক বিবেচনা করেই ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে সময় বাড়িয়ে ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়েছে। এটা ঘটনা, ০৮১১৭ আপ দিঘা–পাঁশকুড়া স্পেশাল ট্রেনটি প্রতিদিন সকাল ৭ টায় পাঁশকুড়া স্টেশন থেকে ছাড়ে। সকাল ৯টা ২০ মিনিটে দিঘায় পৌঁছয়। অফিস যাত্রী ও পর্যটকরা দু’পক্ষই এই ট্রেন ব্যবহার করছেন। ফলে ছুটির দিনে ভিড় আরও বাড়ছে। তাই এই ট্রেনের চাহিদা দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যদিকে, ০৮১১৮ ডাউন স্পেশাল ট্রেনটি সকাল সাড়ে ৯ টায় দিঘা থেকে ছাড়ে। আর সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে পাঁশকুড়া পৌঁছয়। ফলে সকালে সমুদ্র দর্শন করে সহজেই ফেরা যায়।
তাছাড়া এই স্পেশাল ট্রেনটি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে দাঁড়ায়। তমলুক, নন্দকুমার, নাচিন্দা, কাঁথি ও রামনগরে থামে ট্রেনটি। ফলে শুধু দিঘা নয়, আশপাশের সমুদ্র উপকূলেও যাতায়াত সহজ হয়েছে। মন্দারমণি ও তাজপুরগামী পর্যটকরাও সুবিধা পাচ্ছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারাও উপকৃত হচ্ছেন। উপকূলবর্তী অঞ্চলের সঙ্গে রেল যোগাযোগ আরও ভাল হয়েছে।