• কমিশনের দেওয়া ডেডলাইন পারের আগেই FIR, নাম রয়েছে দুই ERO, AERO-র
    এই সময় | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • ভোটার তালিকায় কারচুপির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল, দুই ERO ও দুই AERO-র বিরুদ্ধে। FIR দায়েরের নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। অবশেষে FIR করল রাজ্য। দুই ERO ও দুই AERO-র বিরুদ্ধে FIR দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। তার জন্য ডেডলাইন দেওয়া হয় ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।এমনকী, ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে কেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকেও দিল্লিতে নির্বাচন সদনে তলব করা হয়েছিল। নবান্ন সূত্রে খবর, এ দিন ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে FIR দায়ের করেছে রাজ্য।

    বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের ERO দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী এবং ময়না বিধানসভা কেন্দ্রের ERO বিপ্লব সরকার। দেবোত্তম দক্ষিণ ২৪ পরগনার গ্রামীণ উন্নয়ন সেলের প্রজেক্ট ডিরেক্টর (মনিটরিং)-এর দায়িত্বে রয়েছেন।

    বিপ্লব পূর্ব মেদিনীপুরের সংখ্যালঘু বিষয়ক দপ্তরের আধিকারিক। এই দুই কেন্দ্রের AERO তথাগত মণ্ডল ও সুদীপ্ত দাস যথাক্রমে জয়নগর–১ ব্লকের মনরেগা প্রকল্পের সহকারী আধিকারিক এবং তমলুক ব্লকের পঞ্চায়েত অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসারের দায়িত্বে রয়েছেন।

    অভিযোগ, ভোটার তালিকায় অবৈধ ভাবে নাম তোলার জন্য নির্বাচন কমিশনের ডেটাবেসের লগ–ইন আইডি দপ্তরের কর্মীদের দেওয়া হয়। সেই আইডি ডেটা এন্ট্রি অপারেটারও জানতেন। আইডি দেওয়ার পরে মোবাইলে আসা OTP দিয়ে এই ডেটাবেসে ঢুকতে হয়। এ ক্ষেত্রে ERO–র রেজিস্টার্ড মোবাইলে আসা OTP নিয়ম ভেঙে শেয়ার করা হয়েছিল।

    যদিও এ দিনই নবান্ন থেকে সাত AERO-র সাসপেনশন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘যদি কেউ অন্যায় করে থাকে, রাজ্যকে জানাতে পারত। আমরা অ্যাকশন নিতে বাধ্য হয়েছি, ইলেকশন কমিশন বলেছে বলে। সব ক্ষেত্র দেখে নিতে হবে। তবে তাঁদের ডিফেন্ড করার কোনও সুযোগ দেওয়া হয়নি।’

  • Link to this news (এই সময়)