• মালদহে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর রহস্যমৃত্যু! পরীক্ষা চলাকালীনই...
    ২৪ ঘন্টা | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর রহস্যমৃত্যু। পরীক্ষার দিন ভোরেই বাড়িতে ঝুলন্ত দেহ। মেয়েকে খুনের অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের লোকেরা। শোরগোল মালদহে।

    স্থানীয় সূত্রে খবর,মৃতের নাম  রিয়া মন্ডল। মালদহের মানিকচক শিক্ষা নিকেতন স্কুল থেকে এবছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছিলেন তিনি। সিট পড়েছিল  এনায়েতপুর হাই স্কুলে। আজ,মঙ্গলবার ছিল এডুকেশন পরীক্ষা। পরিবারের লোকেরা দাবি, গতকাল সোমবার রাত ২টো পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন রিয়া। এরপর ভোরে বাড়ির বারান্দা থেকে নাকি তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়! খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিস। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।

    এদিকে জলপাইগুড়িতে উচ্চমাধ্যমিকে গার্ড দিতে যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন শিক্ষিক-শিক্ষিকা। আজ, মঙ্গলবার সকালে ভ্যান চেপে জলপাইগুড়ি থেকে ময়নাগুড়ি যাচ্ছিলেন তাঁরা। স্থানীয় বালাপাড়া এলাকায় ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে পিছন থেকে এসে একটি গাড়ি সজোরে ধাক্কা মারে ভ্যানে। জখম হন শিক্ষিক-শিক্ষিকারা।  ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘাতক গাড়িটিকে জনতা ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। 

    হুগলিতে দুর্ঘটনা জখম ৩ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। তাঁরা সকলেই গোঘাটের বেঙ্গাই হাই স্কুলের ছাত্রী। এদিন সকালে সাইকেলে চেপে গোঘাট হাই স্কুল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিলেন ওই ৩ জন। বেঙ্গাই পঞ্চায়েতে অফিসের সামনে আরামবাগ-কোতুলপুর ২ নং রাজ্য সড়কে বাইকের সঙ্গে সাইকেলে সংঘর্ষ হয়। এরপর ওই তিন পরীক্ষার্থীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দারা। একজনে আঘাত গুরুতর। প্রাথমিক চিকিত্‍সার পর তিনজনকেই পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দেয় পুলিস।

    দেশের মধ্যে প্রথম। এবছর থেকে উচ্চমাধ্যমিকে চালু হয়ে গিয়েছে সেমিস্টার। গত বছরের সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা হয়েছে। এবার চতুর্থ সেমিস্টার। বদলে গিয়েছে নিয়মও।  পরীক্ষায় অতিরিক্ত পাতা নিতে পারবে না পরীক্ষার্থীরা। উত্তর এমনভাবে লিখতে হবে, যাতে অতিরিক্ত পাতা না লাগে। চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষার্থীদের দেওয়া হবে ২৪ পাতার উত্তরপত্র। আর তৃতীয় সেমিস্টারের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা যারা দিচ্ছে,তাঁদের জন্য ১৬ পাতার উত্তরপত্র। বেড়েছে বিকল্প প্রশ্নের সংখ্যাও।

    এর আগে, দুর্গাপুরে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল এক ছাত্রী। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে। শেষপর্যন্ত পুলিসি প্রহরায় হাসপাতালে বেডে বসেই পরীক্ষা দিয়েছিল সে।

    দুর্গাপুরের গোপালপুর গার্লস হাইস্কুলের মাধ্য়মিক পরীক্ষার্থী বর্ষা বাগদি। বাড়ি, দুর্গাপুরের আড়া এলাকায়। মাধ্যমিক পরীক্ষার দিন সকালেই সাপে কামড়ায় বর্ষাকে। তারপরেও পরীক্ষা দিতে যায় সে। সিট পড়েছিল গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে। তখনও পরীক্ষা শুরু হয়নি। পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনো পর, হঠাত্‍-ই অসুস্থ হয়ে পড়ে বর্ষা।  প্রশাসনের সাহায্যে দ্রুত ওই মাধ্য়মিক পরীক্ষার্থীকে নিয়ে যাওয়া হয় দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে।

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)