• কোচবিহার শহরে লিড ধরে রাখতে মরিয়া পদ্ম শিবির, জনসংযোগ বাড়াচ্ছে তৃণমূলও
    বর্তমান | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: একুশের বিধানসভা ভোটের থেকে চব্বিশের লোকসভা ভোটেও কোচবিহার শহরে লিডের ব্যবধান বাড়িয়েছে বিজেপি। আসন্ন ভোটেও সেই লিড ধরে রাখতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে, রাজার শহর কোচবিহারে হারানো জমি পুনরুদ্ধারে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। শহরে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রচার ও জনসংযোগকেই হাতিয়ার করেছে তারা।

    সম্প্রতি কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে সরিয়ে দিয়ে নতুন চেয়ারম্যান করা হয়েছে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার দিলীপ সাহাকে। ভোটেরমুখে পুর চেয়ারম্যান পরিবর্তনের পিছনে যে ভোটঅঙ্ক রয়েছে, তা একপ্রকার স্পষ্ট।
    কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কোচবিহার পুর এলাকা। শহরে মোট ২০টি ওয়ার্ডে মোট বুথ ৮২টি। ওই বুথগুলির অধিকাংশ বুথেই বিগত দু’টি বিধানসভা ও লোকসভা ভোটে লিড পায় পদ্ম শিবির। একুশের ভোটে এই আসনে বিজেপির প্রার্থী নিখিলরঞ্জন দে’র কাছে ৪ হাজার ৯৩১ ভোটে পরাজিত হন তৃণমূলের বর্তমান জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। লোকসভা ভোটে কোচবিহার আসনটি বিজেপির কাছ থেকে ছিনিয়ে নিলেও কোচবিহার শহরে প্রায় ১৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল ঘাসফুল শিবির।

    গত বিধানসভা ভোটের থেকেও লোকসভায় শহরে প্রায় চার হাজার ভোট লিড বাড়াতে সক্ষম হয়েছে গেরুয়া শিবির। এমন অবস্থায় রাজার শহর কোচবিহারে হারানো জমি পুনরুদ্ধারে শহরে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রচার ও জনসংযোগকেই এখন হাতিয়ার করেছে টিএমসি। প্রতিদিনই শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগে যাচ্ছেন শাসকদলের নেতা-কর্মীরা। পাশাপাশি বিধায়ক থাকার পরেও বিজেপির তরফে শহরে কোনো উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি দাবি করে প্রচারে সেটা তুলে ধরছে ঘাসফুল শিবির।

    বিজেপির জেলা সহ সভাপতি বিরাজ বসু বলেন, কোচবিহার শহরের মানুষ শিক্ষিত। রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের দুর্নীতি, সন্ত্রাস সবই তাঁরা দেখছেন। তাই তৃণমূলের পাশে আর মানুষ নেই। তৃণমূল যতই চেষ্টা করুক কোনো লাভ নেই। শহরের মানুষ এই দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলকে হটাতে বদ্ধপরিকর। এবারের ভোটেও সেটা ভোটাররা বুঝিয়ে দেবেন। গত ভোটের থেকে এবারের ভোটে শহরে লিডের পরিমাণ বাড়বে।

    তৃণমূলের জেলা কমিটির চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, মানুষ উন্নয়নের নিরিখে ভোট দেবে। বিজেপি শহরের উন্নয়নে একটিও কাজ করেনি। শহরের মানুষ মা-মাটি-মানুষের সরকারের উন্নয়নের পাশেই আছে। ওরা ঘরে বসে শুধু স্বপ্নই দেখুক।সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: একুশের বিধানসভা ভোটের থেকে চব্বিশের লোকসভা ভোটেও কোচবিহার শহরে লিডের ব্যবধান বাড়িয়েছে বিজেপি। আসন্ন ভোটেও সেই লিড ধরে রাখতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে, রাজার শহর কোচবিহারে হারানো জমি পুনরুদ্ধারে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। শহরে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রচার ও জনসংযোগকেই হাতিয়ার করেছে তারা।

    সম্প্রতি কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে সরিয়ে দিয়ে নতুন চেয়ারম্যান করা হয়েছে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার দিলীপ সাহাকে। ভোটেরমুখে পুর চেয়ারম্যান পরিবর্তনের পিছনে যে ভোটঅঙ্ক রয়েছে, তা একপ্রকার স্পষ্ট।
    কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কোচবিহার পুর এলাকা। শহরে মোট ২০টি ওয়ার্ডে মোট বুথ ৮২টি। ওই বুথগুলির অধিকাংশ বুথেই বিগত দু’টি বিধানসভা ও লোকসভা ভোটে লিড পায় পদ্ম শিবির। একুশের ভোটে এই আসনে বিজেপির প্রার্থী নিখিলরঞ্জন দে’র কাছে ৪ হাজার ৯৩১ ভোটে পরাজিত হন তৃণমূলের বর্তমান জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। লোকসভা ভোটে কোচবিহার আসনটি বিজেপির কাছ থেকে ছিনিয়ে নিলেও কোচবিহার শহরে প্রায় ১৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল ঘাসফুল শিবির।

    গত বিধানসভা ভোটের থেকেও লোকসভায় শহরে প্রায় চার হাজার ভোট লিড বাড়াতে সক্ষম হয়েছে গেরুয়া শিবির। এমন অবস্থায় রাজার শহর কোচবিহারে হারানো জমি পুনরুদ্ধারে শহরে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রচার ও জনসংযোগকেই এখন হাতিয়ার করেছে টিএমসি। প্রতিদিনই শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগে যাচ্ছেন শাসকদলের নেতা-কর্মীরা। পাশাপাশি বিধায়ক থাকার পরেও বিজেপির তরফে শহরে কোনো উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি দাবি করে প্রচারে সেটা তুলে ধরছে ঘাসফুল শিবির।

    বিজেপির জেলা সহ সভাপতি বিরাজ বসু বলেন, কোচবিহার শহরের মানুষ শিক্ষিত। রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের দুর্নীতি, সন্ত্রাস সবই তাঁরা দেখছেন। তাই তৃণমূলের পাশে আর মানুষ নেই। তৃণমূল যতই চেষ্টা করুক কোনো লাভ নেই। শহরের মানুষ এই দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলকে হটাতে বদ্ধপরিকর। এবারের ভোটেও সেটা ভোটাররা বুঝিয়ে দেবেন। গত ভোটের থেকে এবারের ভোটে শহরে লিডের পরিমাণ বাড়বে।

    তৃণমূলের জেলা কমিটির চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, মানুষ উন্নয়নের নিরিখে ভোট দেবে। বিজেপি শহরের উন্নয়নে একটিও কাজ করেনি। শহরের মানুষ মা-মাটি-মানুষের সরকারের উন্নয়নের পাশেই আছে। ওরা ঘরে বসে শুধু স্বপ্নই দেখুক।
  • Link to this news (বর্তমান)