• পুলকারে চার শিশু, চালক মদ্যপ! পুলিশ যা করল এর পরে, প্রশংসা করছেন সকলেই
    এই সময় | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • গাড়িতে তখন চার শিশু। সব প্লে-স্কুলের পড়ুয়া। মাঝ রাস্তায় ট্র্যাফিক পুলিশ গাড়ি দাঁড় করিয়ে দেখে, চালকের মুখ দিয়ে মদের গন্ধ বেরোচ্ছে। এতগুলো বাচ্চার জীবন নিয়ে এই ঝুঁকি নেওয়ার অর্থ কী? প্রশ্ন তুলে চালককে গাড়ি থেকে নামান পূর্ব বর্ধমানের বীরহাটার (Burdwan Birhata) ট্র্যাফিক গার্ড ওসি চিন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের গাড়ির চালককে দিয়ে বাড়ি পাঠানোরও ব্যবস্থা করা হয় ওই শিশুদের। পুলিশের এই ভূমিকার প্রশংসা করেছেন সকলেই। বুধবার বর্ধমান শহরের উল্লাস বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    এ দিন সকালে বর্ধমান শহরের জিটি রোড ধরে প্লে-স্কুলের ছাত্রদের নিয়ে রং রুটে বেপরোয়া ভাবে পুলকার চালাচ্ছিলেন চালক। সন্দেহ হওয়ায় ধাওয়া করে উল্লাস বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পুলকারটিকে আটকায় পুলিশ। এর পরেই জিজ্ঞাসাবাদ করতে গিয়ে সন্দেহ হয়। ব্রেথ অ্যানালাইজ়ারে ধরা পড়ে চালক মদ্যপ অবস্থায় আছেন।

    পুলকারের ভিতরে তখন চার জন ছাত্র-ছাত্রী, একজন মহিলা অ্যাটেন্ডেন্ট ছিলেন। ট্র্যাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে সকলের নিরাপত্তার কথা ভেবে নিজেদের চালক দিয়ে তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। আটক করা হয় ওই মদ্যপ চালককে।

    চালকের দাবি, একজনের জন্মদিন ছিল। তাই মদ খেয়েছিলেন রাতে। ওসি চিন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘মদ্যপান করে ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনের তোয়াক্কা না করেই বেপরোয়া ভাবে পুলকারটি চালাচ্ছিলেন চালক। তাঁকে বর্ধমান থানায় পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে আমাদের চালককে দিয়েই তাদের বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করি।’

  • Link to this news (এই সময়)