• রেললাইনের মাঝে দাঁড়িয়ে ‘যমরাজ’, ‘চিত্রগুপ্ত’র সঙ্গে প্রৌঢ়ের তুমুল ঝামেলা...
    এই সময় | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • ‘যমরাজ’, ‘চিত্রগুপ্ত’র সঙ্গে তুমুল তর্কে জড়ালেন এক প্রৌঢ়, তা-ও আবার রেললাইনের মাঝে দাঁড়িয়ে। বুধবার (Burdwan) বর্ধমান ও গাংপুর স্টেশনের মাঝে বর্ধমান শহরের কালনা গেটে এই ঘটনা ঘটে। কিন্তু আচমকা রেললাইনে ‘যমরাজ’, ‘চিত্রগুপ্ত’ এলেন কোথা থেকে?

    রেলগেট বন্ধ থাকার পরেও কেউ যদি রেললাইন পারাপারের চেষ্টা করে, বড় বিপদের ঝুঁকি থেকে যায়। এই ঝুঁকি নেওয়া মানে চিত্রগুপ্তের খাতায় নাম লেখানো। বড় বিপদ ঘটেও অহরহ। হাওড়ার ডিআরএম বিশাল কাপুরের তত্ত্বাবধানে হাওড়া ডিভিশন কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন সচেতনতায় প্রচার চালাচ্ছে।

    রেলের আধিকারিকরাই চিত্রগুপ্ত ও যমরাজ সেজে ঝুঁকি নিয়ে লাইন পারাপার করা বাসিন্দাদের সচেতন করছেন। এ দিন বর্ধমানের কালনা গেটে পৌঁছে গিয়েছিলেন চিত্রগুপ্ত এবং যমরাজ। সেই সময়ে বন্ধ রেলগেটের নীচ দিয়ে সাইকেল নিয়ে পারাপারের চেষ্টা করেন প্রৌঢ় নবীনচন্দ্র দাস।

    নবীন যমরাজ, চিত্রগুপ্তকে প্রশ্ন করেন, ‘মানুষকে সচেতন করছেন ভালো কথা। কিন্তু বিকল্প যে পথ রয়েছে, তা কি আপনারা দেখেছেন?’ নবীনের দাবি, কালনা গেটের পাশেই রয়েছে যাতায়াতের টানেল। সংস্কারের অভাবে জল, আবর্জনা জমে রয়েছে সেখানে। সেই পথ ব্যবহারের যোগ্যই নয়। বাধ্য হয়েই মানুষকে ঝুঁকির পারাপার করতে হচ্ছে। এ নিয়ে তর্কাতর্কিও শুরু হয়ে যায়।

    নবীন আরও বলেন, ‘আজ চল্লিশ বছর ধরে শুনছি এখানে ওভার ব্রিজ হবে। কবে হবে তার তো কোনও ঠিক ঠিকানা নেই।’ এই অভিযোগ শুনে অপ্রস্তুতে পড়েন যমরাজ ও চিত্রগুপ্ত দু’জনেই। যদিও রেললাইন টপকানোর অভিযোগে নবীনচন্দ্র দাসকে ধরে রেল পুলিশ। পরে অবশ্য তাঁকে ছেড়েও দেওয়া হয়। আশেপাশের এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, মানুষকে সচেতন করা হোক। কিন্তু একই সঙ্গে বিকল্প ব্যবস্থা তো করতে হবে।

  • Link to this news (এই সময়)