• মেদিনীপুরে উদ্ধার দম্পতির ঝুলন্ত দেহ, কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
    এই সময় | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • মেদিনীপুর শহর লাগোয়া এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে এক দম্পতির ঝুলন্ত দেহ। পশ্চিম মেদিনীপুরের (West Midnapore) গুড়গুড়িপাল থানার অধীন গোপগড় এলাকা থেকে উদ্ধার হয় তাঁদের দেহ। কী কারণে ওই দম্পতি আত্মহত্যা করেছেন তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে, স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই দম্পতি প্রচুর ঋণ করেছিলেন। পাওনাদারদের লাগাতার অপমানের জেরেই তাঁরা আত্মহত্যা করেছেন।

    পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সন্ধ্যেয় গোপগড় ইকো পার্ক সংলগ্ন জঙ্গলে দম্পতির ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। তাঁরাই খবর দেন গুড়গুড়িপাল থানায়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (Midnapore Medical College Hospital) । সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন। মৃতদের নাম পিন্টু দাস (৩৮) এবং মধুমিতা দাস (৩২)। তাঁদের বাড়ি মেদিনীপুর (Midnapore) শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের পানপাড়া এলাকায়। ওই দম্পতির দু'টি নাবালক সন্তান আছে।

    পিন্টু মেডিক্যাল সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতেন। পিন্টুর সম্পর্কীয় দাদা কৃষ্ণ দাস জানান, পিন্টু এবং তাঁর স্ত্রীর মধ্যে কোনও অশান্তি ছিল না। তবে কেন তাঁরা আত্মঘাতী হয়েছেন তাঁর কারণ বুঝতে পারছেন না তিনি।

    মেদিনীপুর পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর মোজাম্মেল হোসেন জানান, তিনি জানতে পেরেছেন যে পিন্টু প্রচুর টাকা ধার করেছিলেন। কিন্তু সেই ঋণ মেটাতে পারছিলেন না। অন্য দিকে, তাঁর বাড়িতে নিয়মিত আসছিলেন পাওনাদাররা। টাকা ফেরত না দেওয়ায় দম্পতিকে অপমানিত করেন তাঁরা। তাঁদের অপমান সহ্য করতে না পেয়েই হয়তো আত্মঘাতী হয়েছেন ওই দম্পতি বলেও মনে করছেন তিনি।

    কী কারণে ওই দম্পতি চরম পদক্ষেপ করেছেন তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশের এক আধিকারিক।

  • Link to this news (এই সময়)