নাজিরাবাদে অগ্নিকাণ্ডে DNA ম্যাপিংয়ের পরে ১৮ জনের দেহ শনাক্ত। এই প্রক্রিয়া এখনও চলছে। সূত্রের খবর, ১৮ জনের মধ্যে অনেকেই পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা।
আনন্দপুর লাগোয়া নাজিরাবাদের জোড়া গুদামে ২৬ জানুয়ারি ভোররাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৭ জন নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। ওই গুদামগুলি থেকে উদ্ধার হওয়া দেহ এবং দেহাংশুগুলি পুড়ে যাওয়ায় তাঁদের নাম-পরিচয় জানা কষ্টকর হয়ে উঠেছিল। সেই সময়েই DNA ম্যাপিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
অগ্নিকাণ্ডের রাতে আনন্দপুরের গুদামে কত জন ছিলেন, তা নিয়ে নিশ্চিত ভাবে কোনও তথ্য দিতে পারছিলেন না কর্মচারীরা। সকলের দেহাংশ কি উদ্ধার হয়েছে? যে ২৭ জনের নিখোঁজ থাকার অভিযোগ উঠেছে তাঁরা কি প্রত্যেকে সেখানে ছিলেন? এই সব প্রশ্ন উঠছিল। DNA ম্যাপিংয়ে বিষয়গুলি অনেকটাই স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ডেকরেটার্স সংস্থার মালিক গঙ্গাধর দাস এবং মোমো সংস্থার তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। গত ২৬ জানুয়ারি আনন্দপুরের নাজিরাবাদে এই আগুন লাগে। দু’টি গোডাউন সম্পূর্ণ ভাবে ভস্মীভূত হয়ে যায়। ওই গোডাউনে যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না বলে অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধীরা। মোমো সংস্থার বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ করা হচ্ছে না, এই অভিযোগও উঠেছিল। রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু জানিয়েছিলেন, এই অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। সেই অনুযায়ী তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। নাজিরাবাদ কাণ্ডে মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য করার কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।
(রিপোর্টিং: প্রশান্ত ঘোষ)