• দিনরাত নিন্দা-মন্দ, তো! ১৫০০ টাকা পেতে যুবসাথীর লাইনে লড়াকু বিজেপিনেত্রী...
    ২৪ ঘন্টা | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • মনোরঞ্জন মিশ্র: মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেকারদের জন্য নিয়ে এসেছে 'যুবসাথী' প্রকল্প। এই প্রকল্পে বেকাররা মাসে ১৫০০ টাকা পাবে। যদিও এই প্রকল্প নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা হয়েছে বিরাট। তাছাড়াও বিরোধী দল এই প্রকল্পের হুবহু একটি প্রকল্প নিয়ে এসেছেন। নাম 'যুব আড্ডা'। কিন্তু এই যুবসাথীতে ঘটল এক আজব কাণ্ড। 

    বিরোধী দলের শত সমালোচনার পরও দেখা গেল, যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন গ্রহণের শিবিরের লাইনে বিজেপি নেত্রী। এই ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়ার বান্দোয়ানে। পুরুলিয়ার বান্দোয়ানের বিজেপির মন্ডল -২ এর সহ সভানেত্রী মল্লিকা ভূঁইয়া যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন গ্রহণের শিবিরের লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদনপত্র জমা দিলেন। এই ঘটনাটি রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

    বিজেপি নেত্রী মল্লিকা ভূঁইয়া গত ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে পঞ্চায়েত সমিতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১৪ ভোটে হেরেছিলেন। বর্তমানে সিধো-কানহো-বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কৃত নিয়ে স্নাতকোত্তরে পড়াশোনা করছেন তিনি। ২০২৩ সাল থেকেই রাজনীতিতে বিজেপির সক্রিয় নেত্রী হিসেবে পরিচিত লাভ করেছেন মল্লিকা ভূঁইয়া। 

    যুবসাথী ফর্ম ফিলাপ করতে হলে কী কী নিয়ম মেনে চলতে হবে?

    আপনিও যদি বেকার হন তাহলে যুবসাথীর এই সুবিধা হাতছাড়া করবেন না। যুবসাথীর ফর্ম ফিলাপ শুরু হয়েছে ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এবং চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ফর্ম ফিলাপ করার সময় সাবধান থাকতে হবে। পেশা, বয়স, নামের বানান থেকে ব্যাংকের তথ্য- সামান্য এই পাঁচটি ভুল থাকলেই বাতিল হয়ে যাবে আপনার যুবসাথীর আবেদন।

    যুবসাথী ফর্ম ফিলাপে প্রায়শই ভুল পেশা বিভাগে হয়ে থাকে। বেশিরভাগ আবেদনকারী নিজেদের 'Student' লিখছেন। যদিও এই প্রকল্প বেকারদের জন্য। সুতরাং, পেশা বিভাগে 'Unemployed' লেখা বাধ্যতামূলক। নাম লেখার ক্ষেত্রে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডই চূড়ান্ত প্রমাণ। বিবাহিত মহিলারা স্বামীর পদবির বদলে, তাদের মাধ্যমিকের নথি অনুযায়ী নাম লিখবে। 

    ফর্মে ছবি লাগিয়ে সই করলেই শুধু চলবে না। ছবিতে আড়াআড়িভাবে 'Cross Signature' করতে হবে। এতে সইটি ছবির অংশ ও ফর্মের সাদা অংশ—দুটোতেই পড়বে। ফর্মে এই নিয়মটি ঠিকমতো না মানলে আপনার ফর্ম বাতিল হতে পারে। আপনার কাছে SC/ST/OBC সার্টিফিকেট না থাকলে সংরক্ষিত বা Reserved বিভাগে টিক করবেন না। নিজেকে 'General' হিসেবে দেখাবেন। ভেরিফিকেশনের সময় সার্টিফিকেট চাওয়া হলে দিতে না পারলে আবেদন খারিজ হতে পারে।

    মোবাইল নাম্বার, আধার কার্ড ও ডিবিটি (DBT) ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে লিংক করা বাধ্যতামূলক। লিংক অ্যাকাউন্ট বা নাম্বারে ভুল থাকলে, পয়সা ট্রান্সফারে ব্যর্থ হবে। আপনি অন্য কোনও সরকারি ভাতা যদি পান, তাহলে তা গোপনে করবেন না। কোনও রকম তথ্য গোপন করলে আপনার ফর্ম খারিজ হতে পারে। তাছাড়াও আইনি জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। 

    সূত্রের খবর, আপাতত আবেদন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার দিকেই নজর দেওয়া হচ্ছে। তবে স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়ায় সামান্যতম গরমিল পেলেই আবেদন খারিজ করার নির্দেশ রয়েছে।

     

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)